নারায়ণগঞ্জে ঘোড়া কেটে মাংস বিক্রির সময় একজনকে আটক করেছে আনসার সদস্যরা। এসময় জবাই করা পাঁচটি ঘোড়ার মাংস জব্দ করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটক ব্যক্তিকে ১৫ দিনের জেল সাজা দিয়ে মাংসগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। একটি সূত্রের দাবি, ঘোড়ার মাংসগুলো ঢাকায় গরুর মাংস হিসেবে বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হতো।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) ভোরে জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বাচল উপশহরের ১০ নম্বর সেক্টর থেকে ঘোড়ার মাংস উদ্ধার ও একজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তির নাম ফয়েজ মিয়া। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার বড়ম পাড়া এলাকার বাসিন্দা। পেশায় তিনি সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক।
একটি সূত্র জানায়, গাজীপুরে প্রশাসন ঘোড়ার মাংস বিক্রি বন্ধ করে দিলে একটি চক্র পূর্বাচলকে নিরাপদ স্থান মনে করে। এখানে প্রায় প্রতি দিনই ঘোড়া জবাই করে রাজধানীসহ আশেপাশের বিভিন্ন হোটেলে গরুর মাংস বলে বিক্রি করে আসছিলো।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলাম জানান, ভোর তিনটার দিকে পূর্বাচলের ১০ নম্বর সেক্টর এলাকায় রাজউকের একটি আনসারের টহল টিম একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা দেখতে পান। সন্দেহ হলে তারা এগিয়ে গেলে কয়েকজন দৌড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে অটো চালক ফয়েজ মিয়াকে আনসাররা আটক করে পুলিশে সােপর্দ করেন। পরে তাকে সাজা দিয়ে মাংস মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়।
এ ঘটনায় জড়িত বাকিদের আটকের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
নরসিংদীতে নকল সইয়ে টিআর/কাবিখার ৫২ লাখ টাকা তুলে আটক দুই