খামারে চুরির দায়ে কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করায় মালিকের স্ত্রীসহ দুই সন্তানকে কুপিয়ে হত্যা করে চার ঘাতক। এ ঘটনায় মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদা জানান, এ ঘটনা ঘটেছে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের কুড়ুলিয়া গ্রামে।
একজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও বাকি তিন আসামি পলাতক।
বুধবার রাতে জেলার আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের কুড়ুলিয়া এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী সেলিম শেখের স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৩২), বড় ছেলে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র সৈকত শেখ ও ছোট ছেলে দ্বিতীয় শ্রেনির ছাত্র সায়হাম শেখকে বটি ও ছোরা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
মামলার চার আসামি হলেন, সাতখামার এলাকার নবিন ইসলাম জাহিদ (২২), তার সহযোগী ইসলামপুর এলাকার সাজ্জাদুর রহমান বাধন (২৭), নগরকুমারী এলাকার রিমন ইসলাম, (৩০) ও কলেজপাড়া এলাকার রিফাত (৩২)৷
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, কাপড় ব্যবসায়ী সেলিমের মুরগীর খামারে চাকরি করতেন অভিযুক্ত চারজন। খামারের মুরগীর খাবার চুরির দায়ে তাদের চাকরি থেকে বাদ দিলে খামারের মালিক সেলিমের সাথে তাদের বিরোধ তৈরি হয়। এরই জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটানো হয়।
হত্যার সময় হাতে আঘাত পান নবীন ইসলাম। পরে তিনি ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গেলে পুলিশ সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত খুনের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এছাড়া তার দেয়া তথ্যে হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে খামারের মালিক সেলিম বাদী হয়ে আটোয়ারী থানায় নবীনকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মরদেহগুলো প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
বাইক থেকে ছিটকে পড়ে কাভার্ডভ্যান চাপায় মা-ছেলের মৃত্যু