সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর পরই মরা নদীর কচুরিপানা আর এলাকার ময়লা পরিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন হবিগঞ্জ-৪ আসনে ইতিহাস গড়ে বিজয়ী সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। বললেন, যাকে বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছেন, তাকেসহ সবাইকে সাথে নিয়ে কাজ করতে চান তিনি।
সমাজে নানা রকম অনিয়ম-অসঙ্গতির কথা নিয়ে ফেসবুকে লাইভ করার মাধ্যমে অনেক আগেই সারাদেশে পরিচিতি পেয়েছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। এবার ঈগলের ডানায় ভর করে হবিগঞ্জ-৪ আসনে সংসদ সদস্য হলেন ব্যারিস্টার সুমন। তাকে নির্বাচিত করে উচ্ছ্বসিত মাধবপুর-চুনারুঘাট উপজেলার মানুষ।
যাদের ভোটে সংসদ সদস্য হলেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন ব্যারিস্টার সুমনের পরিবারের সদস্যরা। আর সুমন বললেন, মানুষ যতটা না তাঁকে ভালবেসে ভোট দিয়েছে, তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্যের প্রতি ক্ষোভ থেকে। তবে পরাজিত প্রার্থীকে সাথে নিয়েই নিজের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে চান তিনি।
চা-শ্রমিক অধ্যুষিত এই আসনে ১৯৯১ সাল থেকে নৌকা কখনো হারেনি। তবে এবার চা শ্রমিকরাও দল বেঁধে ভোট দিয়েছেন ঈগলে। সে সঙ্গে এলাকার তরুণ ভোটারদের সমর্থন পেয়েছেন। ব্যারিস্টার সুমন জানান, করোনার দুঃসময়ে চা-শ্রমিকদের পাশে না থাকায় তারা নৌকার মাঝি বদল করেছে।
সায়েদুল হক সুমন বলেন, এলাকার তরুণ ও চা-শ্রমিকদের ভোট আমি পেয়েছি। এ বিজয় সত্যিই আনন্দের। তবে এ অর্জনই শেষ নয়। আমার বড় দায়িত্ব মানুষের জন্য কাজ করা। আমি এ বিজয়ের মধ্য দিয়ে দুটি উপজেলার আট লাখ মানুষের দায়িত্ব নিয়েছি। এখন তাদের পরামর্শে এলাকার উন্নয়নে কাজ করাই মূল উদ্দেশ্য। কাজেই মানুষগুলোর কথা বিবেচনায় নিয়েই আমাকে সামনে চলতে হবে।
নিজেকে নৌকা আর আওয়ামী লীগেরই লোক মনে করেন যুবলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার সুমন। তবে বিজয়ের পর সংসদ সদস্য হয়ে কাজ করতে চান সব দলের, সব মানুষের।
সামনে বড় চ্যালেঞ্জ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা: সুমন