স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী (৩য় ও ৪র্থ শ্রেণি) নিয়োগের লক্ষ্যে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গত ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এই নতুন পরীক্ষা পদ্ধতি ও নম্বর বণ্টনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের উপ-পরিচালক ফররুখ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, বিভিন্ন গ্রেডে নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষা ও নম্বর বণ্টনের পদ্ধতি নিম্নরূপ:
- ২০তম থেকে ৬ষ্ঠ গ্রেড: এই গ্রেডগুলোতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- ১০ম থেকে ৬ষ্ঠ গ্রেড: লিখিত পরীক্ষা ৪০%, ব্যবহারিক ৩০% এবং মৌখিক পরীক্ষা ৩০% নম্বরের ভিত্তিতে হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট না হলে ৭০% লিখিত ও ৩০% মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে।
- ১৬তম থেকে ১১তম গ্রেড: টেকনিক্যাল ও নন-টেকনিক্যাল উভয় পদের ক্ষেত্রে লিখিত ৪০%, ব্যবহারিক ৩০% এবং মৌখিক পরীক্ষা ৩০% নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানে লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক।
- ২০তম থেকে ১৭তম গ্রেড: লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। লিখিত পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ৩০% নম্বর থাকবে। পদের ধরন অনুযায়ী ব্যবহারিক পরীক্ষার বিষয়ে সিলেকশন বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।
- ৫ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব পদ: সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে কি-না, তা সিলেকশন বোর্ড ঠিক করবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা না থাকলে ৭৫% লিখিত ও ২৫% মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।
লিখিত পরীক্ষায় কমপক্ষে ৪০% নম্বর প্রাপ্ত প্রার্থীদের মধ্য থেকে মেধাক্রম অনুযায়ী পদের সংখ্যার পাঁচগুণ প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য আহ্বান করা যেতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া টেকনিক্যাল পদের ক্ষেত্রে লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক—তিনটি পরীক্ষাই গ্রহণ করা সমীচীন বলে কমিটি মত দিয়েছে।
সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষ বা অফিস প্রধানের মাধ্যমে আবেদন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন না করলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর আবেদন বিবেচনা করা হবে না।
২৮ মার্চ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা