রাজধানীর পান্থপথ সিগনাল থেকে আটক হয়েছেন পরীমনির ‘কথিত মা’ নাট্য ও চলচ্চিত্র নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী।
এর আগে পরীমনি র্যাবের হাতে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক হবার পর থেকেই মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের মধ্যে সম্পর্ক ভাঙা-গড়া, ব্ল্যাকমেইলিংসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ উঠেছিল পরিচালক চয়নিকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর পান্থপথ থেকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
এর আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা একাত্তরকে জানান, গ্রেফতার মডেল পিয়াসা, মৌ এবং পরীমণিসহ বেশ কয়েকজনকে ব্যবসায়ীদের ডিজে পার্টি এবং মাদকের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। চয়নিকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিনেত্রী ও অভিনেতার সঙ্গে প্রেম করিয়ে দেওয়া, বিচ্ছেদে সহযোগিতা, মাদক সরবরাহসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমরা সেগুলো খতিয়ে দেখছি। প্রয়োজনে তাকেও গ্রেপ্তারও করা হতে পারে।
আরও পড়ুন: সিনেমার আড়ালে অবৈধ ব্যবসা করতেন পরীমনি: ডিবি
চয়নিকা চৌধুরী বাংলাদেশের একজন আলোচিত পরিচালক। ২০০১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ‘শেষ বেলায়’ নাটকের মধ্য দিয়ে পরিচালনা শুরু করেন তিনি। ‘বিশ্বসুন্দরী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে অভিষেক ঘটে তার। সে সিনেমার নায়িকা পরীমণি। এরপর গত ১৩ জুন ব্যবসায়ী নাসির আহমেদের বিরুদ্ধে পরীমনিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠার পর পরীমনির মা হিসেবে আবির্ভূত হয়ে ফের আলোচনায় আসে পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী।
তবে আলোচিত বোটক্লাব কেসের পর পরীমনির পাশে দেখা গেলেও কিন্তু গত ৪ আগস্ট পরীমণি আটক হওয়ার পর চয়নিকা চৌধুরীকে আর পরীমনির পাশে দেখা যায়নি। এ বিষয়ে অবশ্য চয়নিকা গণমাধ্যমে বলেছেন, পরীমনির সঙ্গে তার যোগাযোগ ও আড্ডা নিতান্ত পেশাগত কারণে।
৪ আগস্ট সন্ধ্যায় প্রায় চার ঘণ্টার অভিযান শেষে বনানীর বাসা থেকে পরীমণি ও তার সহযোগীকে আটক করে র্যাব। তার বাসা থেকে নানা মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। আটকের পর তাকে নেওয়া হয় র্যাবের সদর দফতরে। রাতভর সেখানেই থাকতে হয় পরীমনিকে।
আরও পড়ুন: ‘পরীমনি মদ খান না, বাসায় বোতল শখের বশে’
পরদিন ৫ আগস্ট মাদক মামলা করে র্যাব। একই দিন তাকে আদালতে পাঠিয়ে ৪ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। মামলাটি ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। পরে পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশে মামলা সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়।
একাত্তর/এসএ
