হাম উপসর্গে আরও একজনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৭৮০

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:০০ পিএম

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গেলো ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও ভাইরাসজনিত এই রোগের উপসর্গ নিয়ে ৭৮০ জনের মৃত্যু হলো।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সারাদেশে হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯৫ জনের। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে ৬৮৫ জন প্রাণ হারিয়েছে।

হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ২৯৮ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই আছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ৯৪ জন। এছাড়া রাজশাহীতে ৮৯, চট্টগ্রামে ৫৫, বরিশালে ৪৩, ময়মনসিংহে ৬৬, খুলনায় ৩১ ও রংপুর বিভাগে ৯ জন মারা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৪০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

একই সময়ে আরও ৮৭৩ জন হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে এসেছে। তাদের মধ্যে ভর্তি হয়েছে ৭৮১ জন।

ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৬৯ জন। এরপ সবচেয়ে বেশি ভর্তি হয়েছে চট্টগ্রামে, ২১০ জন। এছাড়া বরিশালে ১১০, সিলেটে ৬৬, ময়মনসিংহে ৪৩, খুলনায় ৩৮, রাজশাহীতে ৩১ ও রংপুরে ১৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

এ নিয়ে সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সন্দেহজনক হাম রোগী ভর্তির সংখ্যা দাঁড়াল ৯৮ হাজার ৬০০। যার মধ্যে ৯৫ হাজার ৩১ জন হাসপাতাল ছেড়েছে।

আর দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ১১। আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ২৪৪।

এআরএস
সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুইজন মারা গেছেন। একই সময়ে নতুন করে আরও ৩০৬ ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ১৭১ জন।
হামের উপসর্গে গেলো ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও পাঁচজন মারা গেছেন। একই সময়ে হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৯২ জন।
গেলো ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৯১ জন। 
জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে টাইগাররা। ফলে সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণ হবে শেষ ও তৃতীয় ম্যাচে।
টানা ৯ দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় সাত লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
গত দুই বছরে বাংলাদেশ সরকার, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে প্রায় দুই হাজার বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। 
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের পাঁচ জেলার কৃষকদের দ্রুত চাষাবাদে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর