জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যে ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে তাতে একমত হয়েছে উন্নত দেশগুলো। বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণাকে প্রাধান্য দিয়ে আটটি বিষয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। পরিবেশবিদ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খসড়া তালিকায় একমত হওয়ায় ক্ষতিপূরণ আদায়ে বিশ্ব নেতাদের চাপ প্রয়োগে সুবিধা হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতির অর্থ আদায়ের বিষয়ে জট খুলতে শুরু করেছে ২৬তম কপ সম্মেলনে। পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে মিথেন গ্যাস নিঃসরণ ৪০ শতাংশ কমাতেও একমত হয়েছে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো।
বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা, অভিযোজনে অর্থায়ন, অভিযোজন, ক্ষয়ক্ষতিসহ আটটি বিষয় অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রধানের কাছে প্রস্তাব উপস্থাপন করেন কপ সম্মেলনের প্রেসিডেন্ট।
বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা বলেছেন, ধীরে ধীরে জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যা মোকাবেলায় অনেকেই একমত হচ্ছেন। ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি সম্মেলনে তালিকাভুক্ত করায় বাংলাদেশের জন্য সুবিধা হলো।
আরও পড়ুন: ২০৪০ সালের মধ্যে বন্ধ হবে তেলে চলা গাড়ির উৎপাদন
পরিবেশবিদরা বলছেন, আগামী সম্মেলনে এই খসড়া আলোর পথ দেখাবে। ক্ষতিপূরণ আদায়ে আরো জোরালো অবস্থান তুলে ধরতে পারবে বাংলাদেশ।
জলবায়ু কর্মীরা বলেছেন, ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তালিকাভুক্ত হলেও কবে নাগাদ অর্থ ছাড় হবে তা স্পস্ট নয়।
এই সম্মেলন শেষে খসড়া তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ আদায়ে রোড ম্যাপ তৈরি করে জোর দেনদরবার করতে হবে বাংলাদেশকে, বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
