বর্ষবরণ উৎসব চালু হয় চার হাজার বছর আগে

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:০০ পিএম

শুরু হয়েছে খ্রিস্টীয় নতুন বছর ২০২২। যদিও নতুন বছর প্রথম উদযাপন হয়েছিল চার হাজার বছর আগে। তখন তা উদযাপন হতো মার্চ মাসে। 

পহেলা জানুয়ারি নতুন বছরের চল শুরু করেন রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার। মাঝখানে ২৫ ডিসেম্বর ও ২৫ মার্চও নতুন বছর গণনা হতো। 

১৫৮২ সালে আবারো তা ফিরে আসে পহেলা জানুয়ারি। গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী জানুয়ারি মাসের প্রথম দিন নতুন বছর। অন্যতম জনপ্রিয় উৎসবের উপলক্ষ। 

বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষ দিনটি ঘরবাড়ি সাজায়, পরিবার-বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করে, প্রিয়জনের জন্য সুস্বাদু খাবার রান্না করে। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় নতুন বছরকে স্বাগত জানায় বিশ্ব। 

৩১শে ডিসেম্বর শুরু হয়ে পহেলা জানুয়ারির শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চলে এ উৎসব। আতশবাজির উৎসব, গান গাওয়া নতুন বছর বরণে ঐতিহ্যবাহী রীতি। 

পশ্চিমের পাশাপাশি পূর্ব গোলার্ধেও নতুন বছর, ইতিবাচক পরিবর্তন, নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ, বদ অভ্যাস পরিহার, নতুন লক্ষ্য নির্ধারণে চমৎকার মুহূর্ত।

খ্রিস্টপূর্ব দুই হাজার বছর, আজ থেকে চার হাজার বছর আগে ব্যাবিলনে নতুন বছর উদযাপনের চল শুরু। ব্যাবিলনের বাসিন্দারা ১১ দিন ধরে বিভিন্ন আচারে নতুন বছর উদযাপন করতো। 

আরও পড়ুন: পর্যটনের স্বর্গরাজ্য মালদ্বীপ থেকে যা শেখার আছে

উদযাপন করতো সাগর দেবতার উপর আকাশ দেবতার কল্পিত বিজয়। পাশাপাশি নতুন রাজাকে মুকুট পরিয়ে শুরু হতো নতুন শাসন।

বহু বছর রোমান ক্যালেন্ডার সূর্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন ছিল। খ্রিস্টপূর্ব ৪৬ সালে সম্রাট জুলিয়াস সিজার তৎকালীন জ্যোতির্বিজ্ঞানী, গণিতবিদদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এ সংকট দূর করেন। 

তৈরি করে জুলিয়ান ক্যালেন্ডার। চলমান গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার সঙ্গে এই ক্যালেন্ডার অনেক মিল। ওই ক্যালেন্ডার ধরেই শুরু হয় বর্ষবরণের নতুন যুগ।

সিজার পহেলা জানুয়ারি নতুন বছর ধার্য করেন। রোমান দেবতা জানুসের জন্মদিনে উৎসব করে দিনটি তার স্মরণে উৎসর্গ করা হতো। 

উপহার বিনিময়, লরেল পাতায় ঘর সাজানো, করা হতো বুনো উৎসব। মধ্যযুগের ইউরোপীয় খিস্ট্রানরা ধর্মীয় গুরুত্ব অনুধাবন করে পহেলা জানুয়ারি নতুন বছর উদযাপন বাতিল করে। 

যিশুর জন্মদিনে তা উদযাপিত হতো ২৫ ডিসেম্বর এবং বিজয় ঘোষণার দিন হিসাবে ২৫ মার্চ। পরে ১৫৮২ সালে পোপ গ্রেগোরি ত্রয়োদশ ১ জানুয়ারি নতুন বছর উদযাপন পুনরায় চালু করেন।


একাত্তর/এসজে

কলকাতা সহ পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে পালিত হচ্ছে বাংলা নববর্ষ। এবারের বর্ষবরণ অতীতের থেকে আলাদা। পহেলা বৈশাখ তারিখকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালিত হচ্ছে রাজ্য জুড়ে।
চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জা আর জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে রোববার উদযাপিত হলো চীনের ঐতিহ্যবাহী লন্ঠন উৎসব। মূলত চীনের নববর্ষ লুনার ও বসন্তের আগমনকে স্বাগত জানাতেই এই আয়োজন।
বিদায় ২০২৩, স্বাগত ২০২৪। বর্ণিল আয়োজনে দেশে দেশে বরণ করা হলো ইংরেজি নতুন বছরকে।
পঞ্জিকা মেনে শনিবার নানা আয়োজনে বাংলা নতুন সনকে বরণ করছে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। কলকাতা শহরজুড়ে শেকড়ের সন্ধানে নেমেছে মানুষ।সকালে নববর্ষের সকালে গাঙ্গুলি বাগান থেকে যাদবপুর পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য...
একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি প্রদান এবং কর্মক্ষেত্রে ন্যায়বিচার ও সাম্য নিশ্চিতে সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক...
সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের দুর্নীতি ও নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির সমালোচনা করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহবায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, দেশের সাধারণ মানুষ আজ তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ...
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৩৪ জনকে গ্রেফতার এবং ৪৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ফরাসি লিগ ওয়ানে পিএসজিকে তাদেরই ঘরে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছে এএস মোনাকো। কোচের চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির উৎসবের দিনে এমন হারে লিগের প্রথম তিন ম্যাচেই জয়হীন থাকার...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর