রুশ সৈন্যরা উত্তর, দক্ষিণ এবং পূর্ব দিক দিয়ে ইউক্রেনে ঢুকেছে। রুশ সৈন্যরা এখন কিয়েভের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে।
শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে কিয়েভে একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
কিয়েভে রাশিয়ার একটি বিমান ভূপাতিত করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে ইউক্রেন।
এদিকে, ইউক্রেনের বড় বড় অনেক শহর এবং সেনা ঘাঁটিতে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
পুরো ইউক্রেন জুড়ে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। বিশেষ করে পূর্ব ইউক্রেনের খারকিভে বড় যুদ্ধ হচ্ছে। এছাড়া উত্তর ইউক্রেনে, দক্ষিণের ওডেসায়ও লড়াই চলছে।
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী একটি ভিডিও প্রকাশ করে বলছে যে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর সুমির রাস্তায় রাশিয়ান হামলাকারীদের সঙ্গে প্রতিরক্ষা যোদ্ধাদের লড়াই চলছে।

শহরের স্থানীয় প্রশাসনের প্রধান দিমিত্রো জাইভৎস্কি বলেছেন, রাশিয়ান সৈন্যদের বিশাল একটি বহর শহরটিকে পেছনে ফেলে পশ্চিমে কিয়েভের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: 'রাশিয়ান ওয়ারশিপ, গো ফা* ইওরসেলফ', মৃত্যুর আগে ইউক্রেন সেনা
এর আগে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, নাশকতাকারীরা কিয়েভে প্রবেশ করেছে। রাশিয়ার হামলায় সামরিক-বেসামরিক মিলিয়ে ১৩৭জন নিহত হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
তেজস্ক্রিয় চেরনোবিল পারমাণবিক এলাকা রুশ সেনাদের হাতে চলে গেছে। সেখানে অনেককে জিম্মি করা হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে।
যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে পালাচ্ছে হাজার হাজার ইউক্রেনিয় নাগরিক। অনেকে পোল্যান্ড ও রোমানিয়ার সীমান্তে আশ্রয় নিয়েছেন।
তবে বেশিরভাগ ইউক্রেনিয় নিজের এলাকায় থেকেই বাঙ্কারে, ভূগর্ভস্থ স্টেশনে আশ্রয় নিয়ে রয়েছেন।
যুদ্ধ করার উপযুক্ত সবাইকে দেশের জন্য অস্ত্র হাতে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছে ইউক্রেনের সরকার।
একাত্তর/জো
