ইউক্রেনের লিভিভ শহরে আকস্মিক সফর করেছেন হলিউড অভিনেত্রী এবং জাতিসংঘের বিশেষ শুভেচ্ছা দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। শনিবার (৩০ এপ্রিল) সেখানে যান তিনি।
লিভিভের একটি রেলস্টেশনে আশ্রয় নেওয়া মানুষের সঙ্গে দেখা করেন জোলি। এ সময় গৃহহারা মানুষদের নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে কথা বলেন জোলি।
তারকা অভিনেত্রী ঘুরে দেখেন যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনের একাধিক অঞ্চল। বিভিন্ন বোর্ডিং স্কুল ঘরেও দেখেন তিনি। কথা বলেন আশ্রয়হীন শিশুদের সঙ্গে।
ভাগ করে নেনে তাদের সঙ্গে দুঃখ-যন্ত্রণা। তিনি তাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আগামী দিনে আবার তিনি ইউক্রেনে আসবেন এবং অসহায় মানুষদের পাশে থাকবেন।

লিভিভ শহরের একটি ক্যাফেতেও বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান এই অভিনেত্রী। অ্যাঞ্জেলিনা জোলিকে হঠাৎ এত কাছে পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হয়ে যান ক্যাফেতে আসা বাকি ক্রেতারা।
ছাই রঙের ঢিলেঢালা পোশাকে অত্যন্ত সাধারণ ক্রেতার মতোই ক্যাফেতে ঢুকেন জোলি। পিঠে ছোট ব্যাগ। ক্যাফেতে সবার সঙ্গে হাসি বিনিময় করেন। অটোগ্রাফ দেয়ার আবদারও মেটান।
জোলি কথা বলেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও। ৪৬ বছর বয়সী এই আমেরিকান অভিনেত্রী জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার বিশেষ দূত।
৪৬ বছরের জোলি বলেন, রুশ আগ্রাসনের মুখে পড়ে এক কোটি ২০ লাখের বেশি ইউক্রেনীয় ঘর-বাড়ি ছেড়েছেন। যা যুদ্ধ শুরুর আগে ইউক্রেনের জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ।

রাশিয়ার হামলায় কয়েক লাখ ইউক্রেনীয় দেশ ছেড়ে পোল্যান্ড, রোমানিয়া, হাঙ্গেরি, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেকে দেশ আশ্রয় নিয়েছেন।
সফর নিয়ে জোলি লিখেছেন তার কাছে এটা একটা বিস্ময়কর সফর ছিল। অনেকেই চোখের সামনে তাকে দেখে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি।
সেই সঙ্গে তিনি লিখেছেন ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে লাগাতার রুশ হামলার কারণে সুন্দর এই দেশটি আজ প্রায় বিপন্ন হতে চলেছে।
