পাম অয়েল রপ্তানি বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে রাজপথে নেমে বিক্ষোভ করেছেন ইন্দোনেশিয়ার কৃষকরা।
মঙ্গলবার, রাজধানী জাকার্তায় বিক্ষোভ করেন শত শত কৃষক। এ সময় সরকারি সিদ্ধান্তের প্রভাবে আয় অর্ধেকে নেমেছে বলে বলেও অভিযোগ করেন পামচাষীরা।
ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে দেশটির পামচাষীরা। রপ্তানি বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে পড়েছে শত শত ইন্দোনেশিয় চাষী।
ভোজ্যতেলের বিশ্ববাজারে ইন্দোনেশিয়ার অনুপস্থিতির সুযোগে সরবরাহ বাড়িয়ে দিয়ে লাভবান হচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ মালয়েশিয়া।
বিক্ষোভকারীদের হাতে বিভিন্ন ধরনের ব্যানারে লেখা ছিলো, মালয়েশীয় পামচাষীদের মুখে বড় হাসি, ইন্দোনেশীয়দের মুখে হতাশা। রপ্তানি বন্ধ করায় পাম ফলের দামও কমে গেছে।
বিক্ষোভে যোগ দিতে ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশ থেকে জাকার্তা আসেন ইয়াসলান থামরিন নামের এক কৃষক। তিনি বলেন, দাম এতোই কমেছে যে গাছ থেকে ফল নামাতেই ভয়।
বাকি সব চাষীরাও বলেছেন এমন দুদর্শার কথা। তারা অভিযোগ করেন, গাছ থেকে পাম ফল আহরণের পর বিক্রি করে যে দাম আসবে, তাতে মুনাফা দূরে থাক, চাষের খরচ উঠবে না।
ইন্দোনেশিয়ার প্রান্তিক ও মাঝারি কৃষকদের সংগঠন আপকাসিন্দো জানিয়েছে, রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি দেশজুড়ে পাম তেলের দামও নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।
সেটি এতটাই কম যে, দেশের ২৫ শতাংশ পাম অয়েল কারখানা উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়ার বাজারে তেলের দামের তুলনায় পাম তেল উৎপাদনের খরচই বেশি।
ইন্দোনেশিয়ার অন্য ২২টি প্রদেশেও একইভাবে বিক্ষোভে নামবেন পাম চাষিরা। যদিও ইন্দোনেশিয়ার সরকার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে তেমন নমনীয় নয়।
দেশটির অর্থমন্ত্রী জানান, যতদিন দেশজুড়ে তেলের দাম ১৪ হাজার রুপির নিচে না নামলে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা উঠবে না। দেশটিতে প্রতি লিটার পাম তেল বিক্রি হয় ১৭,৩০০ রুপিতে।
একাত্তর/এআর
