সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের অভিযোগে কাশ্মীরের শীর্ষ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত।
তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রমে অর্থায়ন ও অংশগ্রহণের পাশাপাশি অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
বুধবার (২৫ মে) কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে কাশ্মীরের একটি আদালতে হাজির করা হয় জম্মু কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের (জেকেএলএফ) এই শীর্ষ নেতাকে। এসময় কাশ্মীরের বেশ কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দোকানপাট সব বন্ধ করে দেয়া হয়।
ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) মালিকের মৃত্যুদণ্ডের আবেদন করে। অন্যদিকে সব অভিযোগ স্বীকার করে নেয়া মালিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চেয়েছিলেন তার আইনজীবীরা।
গত সপ্তাহে তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ স্বীকার করে মালিক আদালতকে বলেন, ১৯৯৪ সালে অস্ত্র ত্যাগ করার পর থেকে তিনি মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ অনুসরণ করে কাশ্মীরে অহিংস রাজনীতি করে চলেছেন।
ভারত ও পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা দাবি করে ১৯৭৭ সালে জেকেএলএফ গঠন করা হয়। তখন এর প্রধান করা হয় আমানুল্লাহ খানকে।
আরও পড়ুন: নির্বাচনের দাবীতে ইমরান খানের 'আজাদি মার্চ' শুরু
ভারত শাসিত ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগরে ১৯৮৮ সালে জেকেএলএফ বোমা হামলা চালানোর পর সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী অভ্যুত্থানের সূত্রপাত হয়। এরপর থেকে সেখানে সহিংস সংঘাতে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদির বিজেপি সরকার জম্মু ও কাশ্মীরের কাছ থেকে তাদের ৭০ বছরের স্বায়ত্তশাসনের শেষ অধিকারটুকুও কেড়ে নেয়।
