অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটের ফলে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে শ্রীলঙ্কা। এখনও বিক্ষোভে উত্তাল দেশটি। তবে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ অহিংস হলে তাতে সরকারের আপত্তি থাকবে না বলে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের আশ্বস্ত করেছেন লঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে।
চ্যানেল নিউজ এশিয়া এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রাজধানী কলম্বোসহ শ্রীলঙ্কার যেকোনো স্থানে অহিংস বিক্ষোভ করা করা যাবে বলে রোববার (২৪ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট কার্যালয়।
দেশটিতে চলমান বিশৃঙ্খলায় বিক্ষোভকারীদের কঠোরভাবে দমনের বিষয়ে কূটনীতিকদের উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে এ কথা বলেছেন নতুন প্রেসিডেন্ট।
এর আগে বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন রনিল বিক্রমাসিংহে। তার পরপরই সরকারবিরোধী বিক্ষোভের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হবে একাধিক বাহিনী। শুক্রবার প্রেসিডেন্ট সচিবালয়ের বাইরে বিক্ষোভকারীদের তাঁবু গুঁড়িয়ে দেয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কলম্বোয় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট বিক্রমাসিংহে বৈঠক করেছেন।
বৈঠকের পর এক বিবৃতি দিয়েছে প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানায়, শান্তিপূর্ণ ও অহিংস বিক্ষোভের অধিকার চর্চার সুযোগ দেওয়া নিয়ে শ্রীলঙ্কার প্রতিশ্রুতির বিষয়টি (কূটনীতিকদের কাছে) পুনর্ব্যক্ত করেন প্রেসিডেন্ট বিক্রমাসিংহে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জানমালের ক্ষতি না করে রাজধানী শহর কলম্বোয় অহিংস প্রতিবাদ করার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কেও কূটনীতিকদের অবহিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মাঙ্কিপক্স ঠেকাতে গুটিবসন্তের টিকা ব্যবহারে ইইউ'র অনুমোদন
কূটনীতিকরা বলছেন, বিক্ষোভ দমনে ক্ষমতার প্রয়োগ করলে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে পড়া শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটবে।
সবশেষ শুক্রবার বিক্ষোভকারীদের ওপর চড়াও হয় দেশটির সেনাবাহিনী। ওই ঘটনার নিন্দা জানান জাতিসংঘসহ পশ্চিমা দেশগুলোর কূটনীতিকেরা।
