অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের বিরুদ্ধে গোপনে তিন মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের তদন্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি অলবানিজ।
সোমবার (১৫ আগস্ট) স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে বিবিসি জানায়, গত মে'তে ক্ষমতা হারানোর দুই বছর আগে স্কট মরিসন গোপনে স্বাস্থ্য, অর্থ ও সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-মন্ত্রীর দায়িত্ব নেন।
এই সিদ্ধান্তকে 'অগ্রহণযোগ্য' ও 'অদ্ভুত' আখ্যা দিয়ে এ ব্যাপারে আইনি পরামর্শ নেয়ার কথা জানিয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি অলবানিজ।
তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেননি স্কট মরিসন।
এদিকে, স্কট মরিসনের এসব দায়িত্ব নেয়ার ব্যাপারে প্রশাসনিক কাগজপত্র সই করার কথা স্বীকার করেছেন অস্ট্রেলিয়ায় ব্রিটেনের রাণীর প্রতিনিধি গভর্নর-জেনারেল ডেভিড হার্লি। এটিকে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৪-র সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে দাবি করেছেন তার এক মুখপাত্র।
তবে এ সিদ্ধান্তের ব্যাপক সমালোচনা করেছেন অলবানিজ, আইন বিশেষজ্ঞ ও মরিসনের সাবেক সহকর্মীরা।
এমনকি, মরিসনের সাথে দায়িত্ব ভাগাভাগির কথা জানতেন না বলে দাবি করেছেন সেই পদে থাকা অন্য মন্ত্রীরা।
অলবানিজ সাংবাদিকদের বলেন, 'এই ঘটনা যদি একটি অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ঘটতো তাহলে আমরা এটি নিয়ে হাসাহাসি করতাম।'
অলবানিজের এ মন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে মরিসন বলেন, তিনি এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়ার পর থেকে তিনি দৈনন্দিন রাজনীতির খবর রাখেন না।
আরও পড়ুন: বিশ্ব বাজারে আরও দুই দফা কমেছে তেলের দাম
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী গ্রেগ হান্ট করোনা আক্রান্ত হলে তিনি মরিসনের সাথে দায়িত্ব ভাগাভাগি করতে সম্মত হন।
তবে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী মাথিয়াস করম্যান দাবি করেছেন, তার পদ মরিসনের সাথে ভাগাভাগি করার কথা জানতেন না তিনি।
এরপর গত বছর কিথ পিটের সাথে মরিসন সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। অভিযোগ উঠেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি নিউ সাউথ ওয়েলসে একটি গ্যাস অনুসন্ধান লাইসেন্স দেয়ায় বাধা দেন।
একাত্তর/এসজে
