৩৭ বছরের মধ্যে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ডের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
বিবিসি'র খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ পাউন্ড ডলারের বিপরীতে শূন্য দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে ১ দশমিক ১৪৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ প্রতি ১ দশমিক ১৪৫ ডলারে এখন এক পাউন্ড পাওয়া যায়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত ৩৭ বছরের মধ্য পাউন্ডের এমন দরপতন পতন আগে দেখা যায়নি।
এর জন্য করোনা মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে দায়ি করছেন তারা। অন্যদিকে ক্রমেই আরও শক্তিশালী হচ্ছে মার্কিন ডলার।
শুধুমাত্র চলতি বছরেই এ পর্যন্ত ডলারের তুলনায় পাউন্ডের মূল্য প্রায় ১৫ শতাংশ কমেছে। এটি ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের জন্য মাথাব্যথার অন্যতম কারণ। এর ফলে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি হবে এবং আমদানিকৃত মুদ্রাস্ফীতি ঘটাতে পারে।
আরও পড়ুন: সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে সম্মত বাংলাদেশ-ভারত
অন্যদিকে ইউরোর বিপরীতেও বুধবার পাউন্ডের দাম দশমিক আট শতাংশ কমে ৮৬ দশমিক ৬৭ হয়েছে, যা জুনের মাঝামাঝি ছিল ৮৬ দশমিক ৮৯।
এ বিষয়ে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে উদ্বেগ বাড়ছে। ফলে একটা মন্দা দেখা দিলে যুক্তরাজ্যকে রক্ষার জন্য খুব কম রাস্তা খোলা থাকবে।
একাত্তর/আরবিএস
