রাজনীতিতে অযোগ্য হতে পারেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তার বিরুদ্ধে আনা হচ্ছে আদালত অবমাননার অভিযোগ। ২২ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে রায় দেবে আদালত। তবে তার সহযোগীরা বলছেন, ইমরানকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। ইমরান খান নিজেও এমনটা দাবি করে আসছেন অনেক দিন থেকে।
সংকট পিছু ছাড়ছে না পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের। এপ্রিলে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। তারপর থেকে সমাবেশের মাধ্যমে সমর্থকদের একজোটে রাখছেন তিনি।
সবশেষ পাকিস্তানের ইসলামাবাদ হাইকোর্টের ৫ বিচারকের বেঞ্চের সবাই ইমরান খানকে আদালত অবমাননায় অভিযুক্ত করতে একমত হয়েছেন।
যদি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়ে তাহলে রাজনীতিতে অযোগ্য হয়ে পড়বেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলায় অভিযুক্ত ইমরান খানের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর বিরুদ্ধে রায় দেয়ায় বিচারককে হুমকি দেয়ায় আদালত তাকে অভিযুক্ত করতে একমত হয়েছে।
গত মাসে বিচারককে দেখে নেয়ার হুমকি দেন দেশটির সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক ইমরান খান। ২২ সেপ্টম্বর শুনানিতে তাকে অভিযুক্ত করবে আদালত।
এ সিদ্ধান্তের আগে আদালত ইমরান খানকে কয়েকদফা সুযোগ দিয়েছিলো। সবশেষ তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে আদালত চেয়েছিলো তিনি ক্ষমা চান।
ইমরানের আইনজীবীদেরও সতর্ক করা হয়েছিলো যে, তিনি এ মামলার স্পর্শকাতরতা অনুধাবন করতে পারছেন না।
আদালত অবমাননার এসব মামলায় বিনাশর্তে ক্ষমতা চাইতে হয়। অর্থাৎ আদালতের কাছে নিজেকে সমপর্ণ কোরে দিতে হয়।
তবে ইমরান খানের সহযোগীরা বলছেন, ক্ষমতাচ্যুত করার পর তার জনপ্রিয়তা দেখে, কৌশলে তাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতে এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে থেকে সমাবেশ কোরে যাচ্ছেন তিনি। দাবি করেছেন নতুন নির্বাচনের। তবে তার এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন শাহবাজ শরীফ ও তার জোট সরকার।
ইসলামাবাদের শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা ও বিচারককে হুমকির মামলায় ইমরান খানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী ধারায় অভিযোগ রয়েছে।
বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন। ইমরান খান ইস্যুতে ২০ কোটি ২০ লাখ জনসংখ্যার পাকিস্তানে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ক্রমেই বাড়ছে।
একাত্তর/এআর
