বিরোধপূর্ণ ভূখণ্ড নিয়ে সম্প্রতি নতুন করে সংঘর্ষে জাড়িয়েছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১৫৫ জন সেনা নিহত হয়েছে। এ অবস্থায় যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছে দেশ দু'টি।
আর্মেনিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি আরমেন গ্রিগরিয়ান টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ৮টা থেকে এটি কার্যকর হয়েছে।
যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি আজারবাইজান।
এর আগে মঙ্গলবার রাশিয়ার মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ব্যর্থ হয়েছে।
এদিকে গ্রিগরিয়ানের ঘোষণার কয়েক ঘন্টা আগে আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছিল, আপাতত গোলাগুলি বন্ধ হয়ে গেছে। তবে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তির কথা উল্লেখ করেনি কর্তৃপক্ষ।

সবশেষ মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) আজারবাইজানের প্রতিরক্ষ মন্ত্রণালয়ের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, আর্মেনিয়ান সামরিক বাহিনী দাশকাসান, কালবাজার এবং লাচিন অঞ্চলের কাছে ব্যাপকভাবে উস্কানি দিয়েছিল। আর্মেনিয়ান সামরিক বাহিনীর নাশকতাকারী দলগুলো আজারবাইজানীয় সামরিক বাহিনীর স্থল এবং রাস্তার মধ্যে মাইন বিছিয়েছিল। আর্মেনিয়ান সৈন্যরা হামলা করার চেষ্টা করলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: ৭ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষেধ
নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে এক দশক ধরে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের বিরোধ চলছে। ওই অঞ্চলটি আজারবাইজানের মধ্যে অবস্থিত, কিন্তু ১৯৯৪ সালে সেখানে একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী যুদ্ধে অঞ্চলটি আর্মেনিয়া সমর্থিত বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
২০২০ সালের লড়াইয়ে আজারবাইজান এসব অঞ্চল পুনরুদ্ধার করে। সে সময় রাশিয়ার মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে যায় দেশ দু'টি।
একাত্তর/আরবিএস
