ভারতে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মাস্ক ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়য়ের অধীনে ডিরেক্টর জেনারেল অফ হেলথ সার্ভিসেস (ডিজিএইচএস) শিশুদের জন্য নতুন একটি গাইডলাইন প্রকাশ করেছে। যেখানে শিশুদের চিকিৎসায় রেমডেসিভির এবং সিটি স্ক্যানেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
ডিজিএইচএস-এর পক্ষ থেকে একটি সংশোধিত নির্দেশিকা প্রকাশের বিষয়টি উল্লেখ করে বৃহস্পতিবার (১০ জুন) এসব তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দা ইণ্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, পাঁচ বছরের নিচে শিশুদের মাস্ক পরানোর প্রয়োজন নেই। ছয় থেকে ১১ বছরের শিশুদের মাস্ক পরানো যেতে পারে। ১৮ বছরের নিচে কিশোরদের শরীরে অ্যান্টি-ভাইরাল ড্রাগ রেমডেসিভির প্রয়োগ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতে করোনা সংক্রমণ মারাত্মক বৃদ্ধির পর শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত অভিভাবকরা। তাই এই সংশোধিত নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, হাসপাতাল বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্টেরয়েড নিতে বারণ করা হয়েছে। উপসর্গহীন এবং মৃদু উপসর্গযুক্ত করোনা সংক্রমিতদের জন্য জ্বর, সর্দি-কাশির যে সমস্ত ওষুধ খাওয়া উচিত সেগুলিই খেতে বলা হয়েছে।
রেমডেসিভির, হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, মাল্টিভিটামিনের মতো ওষুধগুলি প্রয়োজন ছাড়া না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া সিটি স্ক্যান জাতীয় পরীক্ষাও রোগীদের ক্ষেত্রে না করার কথা বলা হয়েছে নির্দেশিকায়।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক নিষিদ্ধের আদেশ বাতিল করলেন বাইডেন
এর আগে ভারতে করোনা মহামারির তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পরলে তাতে শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই রাজধানী নয়াদিল্লিতে শিশুদের ওপর ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করেছে দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্স।
সোমবার (৭ জুন) থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়। ট্রায়ালে ২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশু ও কিশোরদের শরীরে কোভ্যাক্সিনের টিকা দেওয়া হবে। গত ১৩ মে এর অনুমতি দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
একাত্তর/আরবিএস
