চার মন্ত্রীর পদত্যাগের দুইদিনের মাথায় সরকার থেকে অন্যতম শরিক দলের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণায় ভাঙন দেখা দিয়েছে নেপালের ক্ষমতাসীন জোট সরকারে।
সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সরকার থেকে সরে দাঁড়ানোর দেয় জোটের অন্যতম শরিক দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির নেতৃত্বাধীন সিপিএন-ইউএমএল পার্টি। খবর: এনডিটিভি।
এক মাস ধরেই নেপালের রাজনীতিতে টালমাটাল অবস্থা চলছে। সব শেষ ওলির এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দহল প্রচণ্ডের নেতৃত্বাধীন সরকার আরও চাপে পড়লো।
সরকারের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের আগে নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির (ইউনিফাইড মার্কসবাদী-লেনিনবাদী, সিপিএন-ইউএমএল) শীর্ষ নেতাদের বৈঠক হয়। এরপরই রাজনৈতিক সমীকরণের পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে সরকারের ওপর সমর্থন প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।
ইউএমএলের ভাইস চেয়ারম্যান বিষ্ণু পাউডেল জানান, নেপালের প্রধানমন্ত্রীর ভিন্ন ধারায় কাজ শুরু এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দৌড়ে পরিবর্তিত রাজনৈতিক সমীকরণের কারণে সরকার থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।
আরও পড়ুন: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী পাঁচদিনের সিবিআই রিমান্ডে
সম্প্রতি, বিরোধী দল নেপালি কংগ্রেসের শীর্ষ মাওবাদী নেতা রাম চন্দ্র পাউডেলকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য সমর্থনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী প্রচণ্ড। এটি জানানোর পরই পরিস্থিতি ঘোলাটে হতে থাকে। এর জেরেই সরকার থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলির নেতৃত্বাধীন জোট। আগামী ৯ মার্চ নেপালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।
একাত্তর/জো
