২০৪৬’র ভালোবাসা দিবসে গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষের শঙ্কা

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২৩, ০১:৪৮ পিএম

২০৪৬ সালের ভালোবাসা দিবসে পৃথিবীর সঙ্গে আরেকটি গ্রহাণুর সংঘর্ষের শঙ্কা প্রকাশ করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। নতুন এই গ্রহাণুর নাম দেওয়া হয়েছে ২০২৩ ডিডব্লিউ।

নাসার গ্রহবিষয়ক প্রতিরক্ষা সমন্বয় দপ্তর বলছে, তারা গ্রহাণু ২০২৩ ডিডব্লিউ পর্যবেক্ষণে রেখেছে। ২০৪৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীর সঙ্গে গ্রহাণুটির সংঘর্ষ ঘটতে পারে। তবে সেই ‘শঙ্কা বেশ কম’। খবর: বিবিসি।

নাসার তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ১০টি গ্রহাণুর সন্ধান মিলেছে, যা পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসতে পারে। এর মধ্যে ৯টিই আসতে পারে ২০৪৭ থেকে ২০৫৪ সালের মধ্যে।

নাসার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরির সেন্ট্রি সিস্টেম বলছে, ২০২৩ ডিডব্লিউ গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষের আশঙ্কা ৫৬০ ভাগের ১ ভাগ।

আর ইউরোপের মহাকাশ সংস্থা ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি বলছে, গ্রহাণুটির সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষের শঙ্কা ৬২৫ ভাগের এক ভাগ।

নাসা এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, মহাকাশে যখন নতুন কোনো বস্তু শনাক্ত হয়, তখন সেই বস্তুর গতিবিধি নিয়ে বেশ অনিশ্চয়তা থাকে। কয়েক সপ্তাহ ধরে তথ্য সংগ্রহ করার পর এর গতিবিধি বা সম্ভাব্য কক্ষপথ বিষয়ে মোটামুটি ধারণা পাওয়া যায়। কক্ষপথ বিশ্লেষকেরা ২০২৩ ডিডব্লিউ গ্রহাণু নিয়ে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। পর্যাপ্ত তথ্য পেলে সম্ভাব্য গতিপথ বিষয়ে হালনাগাদ কিছু বলা যাবে।’

এই গ্রহাণু প্রথম শনাক্ত হয় গত মাসে। এর ব্যাস প্রায় ১৬০ ফুট (৪৯ মিটার), যা মোটামুটি অলিম্পিক গেমসের একটি সুইমিংপুলের সমান।

আরও পড়ুন: ইমরান খানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা স্থগিত

গত সেপ্টেম্বরে নাসা তার ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডিরেকশন টেস্ট (ডিএআরটি) মহাকাশযান ব্যবহার করে পৃথিবীর সঙ্গে একটি গ্রহাণুর সম্ভাব্য সংঘর্ষ ঠেকানোর চেষ্টা করে। পরে নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা এই চেষ্টায় সফল হয়েছে।


একাত্তর/জো

৫৪ বছর পর আবার চাঁদের পথে পা বাড়িয়েছে মানুষ। বুধবার নাসার একটি রকেটে চড়ে চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন চার নভোচারী।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ৯ মাস ধরে আটকে থাকার পর অবশেষে পৃথিবীতে ফিরছেন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার দুই নভোচারী সুনিতা উইলিয়ামস ও বুচ উইলমোর।
মহাকাশে নতুন ইতিহাস গড়লো নাসা। সূর্যের সবচেয়ে কাছে যাওয়ার বিরল কৃতিত্ব দেখালো মার্কিন মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার একটি মহাকাশযান।
এখনও পৃথিবীতে ফিরতে পারেননি তারা। কারণ, যে যানটিতে চড়ে মহাকাশে পাড়ি দেন, সেটি হঠাৎ করে বিগড়ে যাওয়াতে নির্ধারিত সময়ে তাদের আর ফেরা হয়নি। 
মেটলাইফ স্টেডিয়ামের সেই স্নায়ুক্ষয়ী মহাকাব্যিক ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে গুঁড়িয়ে দেওয়ার রাতে বিশ্বমঞ্চের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সম্মানের মুকুট মাথায় তুললেন স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি।
মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগকে পুরো ম্যাচ জুড়ে বোতলবন্দি করে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের রাতেই টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষকের মুকুট মাথায় তুলেছেন উনাই সিমন। পুরো টুর্নামেন্টে প্রতিপক্ষের...
মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ের স্বপ্ন চূর্ণ করে স্পেনের ট্রফি উদযাপনের রাতেই বিশ্বমঞ্চে রচিত হলো আরও এক সোনালী ইতিহাস। রোববারের সেই রক্তক্ষয়ী ফাইনালে আলবিসেলেস্তেদের ১-০ গোলে হারিয়ে...
নিউ জার্সির স্টেডিয়ামে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও দীর্ঘতম মহাযজ্ঞের অবসান ঘটল এক চরম নাট্যমঞ্চের মধ্য দিয়ে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে অতিরিক্ত সময়ের স্নায়ুক্ষয়ী লড়াইয়ে ১-০ গোলে গুঁড়িয়ে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর