ভারতে আবারও বাড়ছে করোনার প্রকোপ। দেশটিতে সংক্রমণের পুরনো চিত্র যাতে আর ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করতে বুধবার (২২ মার্চ) এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
জি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এদিন স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ বৈঠক শুরু হয়। হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবীয়, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ, নীতি আয়োগের সদস্যসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
ভারতে করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি, এ বৈঠকে সংক্রমণের সম্ভাব্য স্ফীতির মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হবে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, বুধবার ভারতে এক হাজার একশ' ৩৪টি নতুন সংক্রমণের ঘটনা চিহ্নিত হয়েছে। পাঁচ জন কোভিড আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। ছত্তীসগঢ়, দিল্লি, মহারাষ্ট্র, গুজরাত এবং কেরলে এক জন করে মারা গেছে। অন্যদিকে এই মুহূর্তে দেশটিতে সক্রিয় করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা সাত হাজার ২৬।
এমন পরিস্থিতিতে চীনে করোনাভাইরাসের নতুন উপরূপ ‘বিএফ.৭’-এর সক্রিয়তা বাড়ার ঘটনাতেও শঙ্কা প্রকশ করেছে ভারত সরকার।
সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসাবে মাস্ক পরাসহ বিভিন্ন করোনাবিধি চালু করা, পরীক্ষা বাড়ানো এবং জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের বিষয় নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র।
এদিকে বৈঠকের আগে স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ বলেন, ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলোকে চিঠি দিয়ে করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কে আমরা সতর্ক করেছি।
দিল্লি, মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, গুজরাত, হিমাচল প্রদেশ, গোয়া, কেরল, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং তামিলনাড়ুতে বেড়েছে সংক্রমণ। গেলো কয়েক দিনে এই রাজ্যগুলোর নানা প্রান্তে নতুন করে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন অনেকে। এসব রাজ্যে করোনার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ।
একাত্তর/আরবিএস
