সুদানের সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৭ জনে। আহত হয়েছে আরও পাঁচ শতাশিক মানুষ।
সোমবার (১৭ এপ্রিল) দেশটির চিকিৎসকদের ইউনিয়নের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
চিকিৎসক ইউনিয়নের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শনিবার এ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৭ জনে দাঁড়িয়েছে। মৃতের এ সংখ্যায় সকল হতাহত অন্তর্ভূক্ত নেই। কারণ উভয় পক্ষের মধ্যে লড়াই তীব্র হওয়ায় অনেককে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এরইমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, মিশর, সৌদি আরব, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন এ সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।
অন্যদিকে সোমবারও সুদানের রাজধানী খার্তুম একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে। অনেক বেসামরিক বাসিন্দা সংঘর্ষের এলাকা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছে। আহত নাগরিকদের চিকিৎসার বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে সুদানের সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান এবং তার ডেপুটি মোহাম্মদ হামদান দাগালো, যিনি আরএসএফ-এর নেতৃত্ব দেন, তাদের মধ্যে ক্ষমতার লড়াইয়ের পর শনিবার সহিংসতার সূত্রপাত হয়।

আরও পড়ুন: উত্তরার বিজিবি মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে
২০২১ সালের অক্টোবরে একটি অভ্যুত্থানের পর থেকে সুদান পরিচালনা করছেন সামরিক জেনারেলরা। যুদ্ধটি ডি ফ্যাক্টো নেতা জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের অনুগত সেনা ইউনিট এবং সুদানের ডেপুটি লিডার মোহাম্মদ হামদান দাগালোর নেতৃত্বে হেমেদতি নামে পরিচিত আরএসএফ-এর মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
জেনারেল দাগালো বলেছেন, সমস্ত সেনা ঘাঁটি দখল না করা পর্যন্ত তার সৈন্যরা লড়াই চালিয়ে যাবে।
প্রতিক্রিয়ায় সুদানের সশস্ত্র বাহিনী ‘আধাসামরিক আরএসএফ বিলুপ্ত না হওয়া পর্যন্ত’ আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
একাত্তর/আরবিএস
