ওড়িশার ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত অন্তত ৪০ জনের দেহে কোন ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তারা সবাই বিদ্যুৎপৃষ্টে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ভারতের প্রভাবশালী গণমাধ্যম ‘দ্যা টাইমস অফ ইন্ডিয়া’ এক প্রতিবেদনে একজন শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়, ধারণা করা হচ্ছে দুর্ঘটনার সময় লাইভ ওভারহেডের তার ছিঁড়ে ট্রেনের বগির উপর পড়ে ভেতরে থাকার সবার মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার দুপুরে এফআইআর-এ রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) সাব-ইন্সপেক্টর পাপু কুমার নায়েক বলেছেন, অনেক যাত্রী সংঘর্ষের কারণে এবং ওভারহেড এলটি (লো টেনশন) লাইনের সংস্পর্শে আসার কারণে মারা গিয়েছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যা ৬.৫৫ মিনিটে লাইনচ্যুত করমণ্ডল এক্সপ্রেসের বগিগুলিতে আঘাত করার পরে যশোবন্তপুর (বেঙ্গালুরু)-হাওড়া এক্সপ্রেসের ওভারহেড তার ছিঁড়ে যায়। চেন্নাইগামী ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয় এবং পেছন থেকে একটি দাঁড়িয়ে থাকা মালগাড়িকে ধাক্কা দেয়।

পুলিশ কর্মকর্তারা আরও জানান, এখনও পর্যন্ত শতাধিক মরদেহের পরিচয় পাওয়া যায়নি। কিন্তু ওই ৪০টি মরদেহের কোথাও কোনও আঘাতের চিহ্ন বা রক্তপাত ছিল না। তাদের মৃত্যু সম্ভবত বিদ্যুৎস্পৃষ্টেই হয়েছে।
আরও পড়ুন: মামুনুল হকের রিসোর্ট কাণ্ড: সাক্ষ্য দিলেন আরও দুই জন
পূর্ব উপকূল রেলওয়ের চিফ অপারেশন ম্যানেজার হিসেবে অবসর নেওয়া পূর্ণ চন্দ্র মিশ্র বলেন, ট্রেনটির ওপর তার পড়ার পর তা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বগিগুলোতে বিদ্যুতায়িত করে ফেলতে পারে।
একাত্তর/আরএ
