আমেরিকায় ভারতীয় দূতাবাসে আবারও খালিস্তানিদের হামলা

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২৩, ০৫:৩১ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে ভারতীয় দূতাবাসে আবারও হামলা চালিয়েছে খলিস্তানি সমর্থকরা। এ সময় দূতাবাসে ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হলেও এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। 

ভারতীয় সংবামাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রবিবার এ ঘটনা ঘটে। চলতি বছরে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার দূতাবাসটিতে হামলা চালালো খলিস্তানিরা।    

সান ফ্রান্সিসকোতে ভারতীয় দূতাবাসে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট।

স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরণের ভাংচুর বা সহিংসতা একটি ফৌজদারি অপরাধ।

সান ফ্রান্সিসকো ফায়ার ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, হামলার পরপরই দূতাবাসের আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়। ফলে বড় কোনো ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। 

.twit2{height:221px;width:211px;} #fav img{max-height:none!important;max-width:none!important;background:none!important} #twit twit{max-height:none!important;max-width:none!important;background:none!important}

সান ফ্রান্সিসকোভিত্তিক দিয়া টিভির খবরে বলা হয়েছে, রাত দেড়টার দিকে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে জড়ো হয় খলিস্তান আন্দোলনের সমর্থকরা। ভাংচুর করার পাশপাশি তারা দূতাবাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। 

এ সময় ভারতের রাষ্ট্রদূত তরণজিৎ সিং সান্ধু এবং সান ফ্রান্সিসকোর কনসুলেট জেনারেলকে কটাক্ষ করে পোস্টার লাগায় হামলাকারীরা। তাদের অভিযোগ, কানাডায় খলিস্তান টাইগার ফোর্সের প্রধান হরদীপ সিং নিজারের খুনে ভারতের হাত রয়েছে।

হরদীপ সিং নিজার খালিস্তানপন্থী সংগঠন খালিস্তান টাইগার ফোর্স এবং শিখস ফর জাস্টিস (এসএফজে) এর কানাডিয়ান শাখার প্রধান ছিলেন। গত মাসে কানাডায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, "উগ্রপন্থী, চরমপন্থী" খালিস্তানি মতাদর্শ ভারত বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের জন্য ভালো নয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়াকে অনুরোধ করেছি, খালিস্তানি কার্যকলাপ ও খালিস্তানিদের স্থান না দেয়ার জন্য।   

এর আগে গত মার্চ মাসেও সান ফ্রান্সিসকোর দূতাবাসে হামলা চালিয়েছিল খলিস্তানিরা। এছাড়া চলতি বছরে ব্রিসবেন, লন্ডনসহ একাধিক শহরে ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালায় তারা।

'খালিস্তান' দক্ষিণ এশিয়ার পাঞ্জাব অঞ্চলে জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে প্রস্তাবিত একটি স্বতন্ত্র ও সার্বভৌম দেশ। প্রস্তাবিত রাষ্ট্রকে ভূখণ্ডগতভাবে ভারতীয় পাঞ্জাব রাজ্য থেকে শুরু করে বৃহত্তর পাঞ্জাব অঞ্চল পর্যন্ত অথবা প্রতিবেশী ভারতীয় রাজ্যসমূহকেও অন্তর্ভুক্ত করে সংজ্ঞায়িত করা হয়।

পাঞ্জাব অঞ্চল শিখদের ঐতিহ্যগত মাতৃভূমি। ইংরেজ দ্বারা অধিকৃত হবার আগে পাঞ্জাব শিখদের দ্বারা ৮২ বছর শাসিত হয়; ১৭৬৭ থেকে ১৭৯৯ সাল পর্যন্ত সমগ্র পাঞ্জাব শিখ মিসল (সার্বভৌম শিখ রাষ্ট্র) সমূহের অধীন ছিল, তারপর মহারাজা রণজিৎ সিং শিখ মৈত্রী সঙ্ঘকে শিখ সাম্রাজ্যের মাঝে একীভূত করেন। 

আরও পড়ুন: ঈদের পর আরেক দফা বাড়ালো পেঁয়াজ-আলু-আদার দাম

সেখানে শিখদের পাশাপাশি অনেক হিন্দু ও মুসলিমও বসবাস করতো। ১৯৪৭ সালের আগে শিখরা ব্রিটিশ অখণ্ড পাঞ্জাব রাজ্যের শুধুমাত্র লুধিয়ানা জেলায় সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাবের মাধ্যমে মুসলিম লীগ যখন মুসলিমদের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্রের দাবি জানায়, তখন কিছু শিখ নেতা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন যে হিন্দু ও মুসলিমের ভিত্তিতে ভারত বিভাজিত করলে শিখ সম্প্রদায়ের কোনো স্বাধীন মাতৃভূমি থাকবে না। তারা তখন বৃহত্তর পাঞ্জাব অঞ্চলে বিস্তৃত খালিস্তান নামক একটি ধর্মরাষ্ট্র সৃষ্টির ধারণা পেশ করেন। তখন থেকে এই আন্দোলনের সূত্রপাত। 


একাত্তর/আরবিএস  

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর