রাশিয়ান সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যর্থ বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়া ওয়াগনার প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোজিন নাইজারের সামরিক অভ্যুত্থানকে সুসংবাদ হিসাবে স্বাগত জানিয়েছেন। সেখানে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তার যোদ্ধাদের সেখানে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওয়াগনারের সাথে যুক্ত টেলিগ্রাম অ্যাপ চ্যানেলে এক বার্তায় দাবি করা হয়, প্রিগোজিন অভ্যুত্থানে জড়িত নন। তবে এটিকে পশ্চিমা উপনিবেশকারীদের কাছ থেকে দীর্ঘ আকাঙ্ক্ষিত মুক্তির মুহূর্ত হিসাবে বর্ণনা করেছেন তিনি।
বার্তায় বলা হয়, নাইজারে যা ঘটেছে তা তাদের উপনিবেশকারীদের সাথে নাইজারের জনগণের সংগ্রাম ছাড়া আর কিছুই নয়। আফ্রিকায় শতশত বছর ধরে উপনিবেশবাদীরা জনগণের উপর তাদের কথা চাপিয়ে দিয়ে আসছে।
অডিওবার্তাটির কণ্ঠস্বর শুনে কথা বলা ব্যাক্তিটিকে প্রিগোজিন বলে মনে হলেও, রুশ বাহিনী এখনও বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি।
এই বার্তায় আরও বলা হয়েছে, আজ নাইজার কার্যকরভাবে তাদের স্বাধীনতা অর্জন করছে। শাসন ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হবে এই ব্যাপারে বাকিরা নিঃসন্দেহে নাইজারের নাগরিকদের উপর নির্ভর করবে। কিন্তু মূল বিষয় হলো, তারা উপনিবেশকারীদের থেকে মুক্তি পেয়েছে।
আরও পড়ুন : অবশেষে রাশিয়াতে দেখা গেলো প্রিগোজিনকে
বুধবার সন্ধ্যায় নাইজারের প্রেসিডেন্সিয়াল গার্ডের সদস্যরা সামরিক অভ্যুত্থান ঘোষণা করে। তারা প্রেসিডেন্ট মোহামেদ বাজুমকে তার প্রাসাদে বন্দী করে।
এরপর শুক্রবার নিজেকে দেশটির নতুন নেতা হিসেবে ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্সিয়াল গার্ড ইউনিটের প্রধান জেনারেল আবদুরাহমানে চিয়ানি।
একাত্তর/পিএজে
