রাশিয়ার বিরুদ্ধে এবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে রুশ অধিকৃত ক্রিমিয়ার মুসলমান জাতিগোষ্ঠী তাতার। ইউক্রেনের অধিকৃত এ উপদ্বীপকে মুক্ত করার জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছে শত শত তরুণ তাতার। একটি সশস্ত্র আন্দোলন শুরু করেছেন তারা, যার নাম আতেশ অর্থাৎ ‘আগুন’।
রাশিয়ার অধিকৃত ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপদ্বীপের মুসলমান জাতিগোষ্ঠী তাতার। রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের যুদ্ধে তারাই এখন বড় ভূমিকা পালন করছে।
ক্রিমিয়ার জনগণের ১৫ শতাংশ তাতার জনগোষ্ঠীর। তাদের পূর্বপুরুষ তুর্কি। ত্রয়োদশ শতাব্দী থেকে তারা ক্রিমিয়া উপদ্বীপে বসবাস করে আসছে।
সম্প্রতি ক্রিমিয়ান তাতার কর্মীরা অপহরণ ও গুমের শিকার হচ্ছে। ৫৯ জন কর্মী নিখোঁজ ও আটজনের লাশ পাওয়া যায়। তাতার নেতা মুস্তাফা জামিলেভ জানান, রাজনৈতিক নেতা ও কয়েক ডজন নেতাকর্মীদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্রিমিয়ার তাতারদের ওপর দমন-পীড়ন আংশিকভাবে ধর্মের কারণে হলেও এর প্রধান কারণ হলো, তাদের বড় একটা অংশ ক্রিমিয়া দখলের বিপক্ষে কথা বলেছে।
বর্তমান এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের অধিকৃত এ উপদ্বীপকে মুক্ত করার জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছে শত শত তরুণ তাতার। গোষ্ঠীটির দাবি তারা ইতোমধ্যে রুশদের কয়েকটি চেকপয়েন্ট উড়িয়ে দিয়েছে। ইউক্রেনীয় গোয়েন্দাদের সংবেদনশীল তথ্যও দিয়েছে বলে দাবি তাদের।
তাতাররা শপথ নিয়েছে ইউক্রেনে রুশ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে তারা অবিরাম যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার।
আরও পড়ুন: ১০ মিনিটে শনাক্ত হবে হৃদরোগ, কিট বানালো ইরান
ইউক্রেন ২০১৪ সালে ক্রিমিয়ার নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। বর্তমান যুদ্ধে রাশিয়ার হাতে পরাজয় এড়াতে কিয়েভের সামরিক ক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন এই ক্রিমিয়ান তাতাররা।
একাত্তর/আরএ
