আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর কান্দাহারে আত্মঘাতী বোমা হামলায় বেশ কয়েকজন তালেবান সদস্যসহ অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিক মানুষ। তালেবান সরকার নিহতের সংখ্যা আরও কম বলে দাবি করলেও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বলছে, হামলায় নিহতের সংখ্যা ২০ ছাড়িয়েছে।
শুরুতে স্বীকার না করলেও হামলার কয়েকঘণ্টা পর সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির।
আইএসের বার্তা সংস্থা আমাক এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, তালেবান সদস্যদের লক্ষ্য করেই এ হামলা চালানো হয়েছে। প্রায় দেড়শ' তালেবান সদস্যের ভিড়ের মধ্যে বিস্ফোরণটি ঘটানো হয়েছে।
কান্দাহার প্রদেশের তথ্য ও সংস্কৃতির পরিচালক ইনামুল্লাহ সামাঙ্গানি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় কান্দাহার শহরের নিউ কাবুল ব্যাংক শাখার বাইরে ঘটনাটি ঘটেছে। অপেক্ষায় থাকা কিছু মানুষকে লক্ষ্য করেই বোমা হামলাটি করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আহতদের শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। শঙ্কার কোনো কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলার সময় আফগানিস্তানের সরকারি চাকরিজীবীরা লাইনে দাঁড়িয়ে বেতন সংগ্রহ করছিলেন। তখনই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
তালেবান কর্মকর্তারা বলছেন, ১১ মার্চে পবিত্র মাহে রমজান শুরু হওয়ার পর থেকে দেশব্যাপী একাধিক বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে।
তবে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর আফগানিস্তানে বোমা বিস্ফোরণ ও আত্মঘাতী হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবুও বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী হুমকি হিসেবে এখনও রয়েছে দেশটিতে।
কাবুল আফগানিস্তানের রাজধানী হলেও তালেবান কর্তৃপক্ষের কেন্দ্রস্থল হলো কান্দাহার। সেখানেই তালেবান নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা বাস করেন। ২০২১ সালের আগস্টে মার্কিন-সমর্থিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় আসে তালেবান।
বিহারে নির্মাণাধীন সেতু ধসে ৩০ শ্রমিক আটকা, নিহত ১
ইমরান খানকে ক্ষমতাচ্যুত করার বিষয়ে যা বললেন ডোনাল্ড লু