কেরালায় ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৫৪, সেনাসহায়তা দাবি

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২৪, ০২:৪৮ পিএম

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালার ওয়ানাদ জেলায় প্রবল বৃষ্টিতে চার ঘণ্টার মধ্যে তিনটি ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। কেরালা সরকার ভূমিধসের পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ধার অভিযানের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীর সহায়তা চেয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর দুইটার দিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে নিহতে সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৫৪, ভূমিধসে আটকা পড়েছেন শতাধিক মানুষ। এনডিআরএফসহ একাধিক সংস্থা মেপ্পাদির কাছে পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছে।

দ্য হিন্দু জানিয়েছে, দুর্গত মুন্ডক্কাই, চুরমালা, আট্টমালা এবং নুলপুঝা গ্রামগুলো এখন ভূমিধসের কারণে বিচ্ছিন্ন। বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়া যানবাহনগুলো গাছের গুঁড়িতে আটকে থাকতে এবং অনেক জায়গায় পানিতে ডুবে থাকতে দেখা যাচ্ছে। 

বড় বড় পাথরের পাহাড় উদ্ধার কর্মীদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধারকাজে নিয়োজিতদের প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও মৃত ও আহতদের উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে।

এনডিটিভি বলছে, ভূমিধসের পর জোরকদমে শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। সব সরকারি সংস্থা উদ্ধারকাজে নেমেছে বলে জানিয়েছেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সবরকম প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে, যাতে আটকে থাক লোকজনকে দ্রুত বের করে আনা সম্ভব হয়। রাজ্যের মন্ত্রীরাও একে একে পৌঁছচ্ছেন ওই পাহাড়ি এলাকায়।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং এলডিএফ সরকারকে সব ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বিজেপিপ্রধান জেপি নাড্ডাকে দলীয় কর্মীদের নিয়ে উদ্ধার কাজে সহায়তা নিশ্চিত করতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি এই প্রসঙ্গে কেরালায় বিজেপির একমাত্র সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুরেশ গোপীর সাথে কথা বলেছেন। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় দুর্যোগে নিহতদের পরিবারকে দুই লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে। আর আহতদের ৫০ হাজার টাকা দেওয়া কথা জানিয়েছে। 

কেরালা রাজ্য বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং এনডিআরএফ ছাড়াও, কান্নুর প্রতিরক্ষা সুরক্ষা কর্পসও উদ্ধার অভিযানে যোগ দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানা গেছে।

একাত্তর/এসি
নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পঞ্চম দিনেও থামেনি উদ্ধার অভিযান। এবার ধ্বংসস্তূপ ও কাদায় আটকে থাকা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে পৌঁছাতে ড্রিলিং শুরু করেছেন উদ্ধারকর্মীরা।
নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫০ জনে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন তিন হাজার ৪৪ জন। রোববার দুর্যোগের পর পঞ্চম দিনে এসেও থামেনি উদ্ধার অভিযান, মিলছে মরদেহ।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন আট শতাধিক পর্যটক-তীর্থযাত্রী। তাদের মধ্যে ৩৪১ জনই বিদেশি নাগরিক।
নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৯৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিদেশি পর্যটক ও তীর্থযাত্রীসহ শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার সময় সৌদি আরবের জাতীয় নৌপরিবহন সংস্থা 'বাহরি'র মালিকানাধীন একটি তেলবাহী সুপারট্যাঙ্কারে ইরানি সামরিক বাহিনী হামলা চালিয়েছে। সোমবার রাতের...
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার তীব্র সামরিক সংঘাতের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই চার বছরের মধ্যে প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্য সফরে মিশর পৌঁছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বুধবার মিশরের রাজধানী কায়রোতে...
নিচ্ছক কোনো আনুষ্ঠিকতার নির্বাচন নয়, বরং তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহি নিশ্চিতে স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী...
মাত্র এক দশক আগে ২০১৫ সালের ৭.৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উদ্ধারকারী সংস্থা ত্রাণ সহায়তায় ও ক্ষতি মূল্যায়নে যে ড্রোন প্রথম নেপালে নিয়ে এসেছিল, বুধবার স্থানীয় নেপালি...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর