ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন- হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নির্দেশ দেয়ার পর ইহুদিবাদী শাসকদের প্রতি কঠিন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসলামিক বিপ্লবী বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি।
তিনি বলেছেন, গাজায় জায়নবাদী শাসকদের সাম্প্রতিক অপরাধের প্রতিক্রিয়ায় ইরানের জনগণের মধ্যে ক্রোধ ও প্রতিশোধ আকাঙ্ক্ষার আগুন তীব্রতর হচ্ছে।
সিরিয়া ও লেবাননে ইরানের সামরিক উপদেষ্টা মিলাদ বিদি হত্যাকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় জেনারেল সালামি বৃহস্পতিবার এক বার্তায় নিহতদের পরিবার ও স্বদেশীদের প্রতি সমবেদনা জানানোর সময় এমন হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, ইহুদিবাদী শাসকদের দ্বারা সংঘটিত সাম্প্রতিক অপরাধের জন্য ক্রোধ এবং প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষা এই অঞ্চল জুড়ে বাড়ছে। ইসরাইলের জন্য সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে।
মিলাদ বিদি লেবাননের রাজধানী বৈরুতের উপকণ্ঠে ইসরাইলের বিমান হামলায় শহীদ হন। একই ঘটনায় হিজবুল্লাহ প্রতিরোধ আন্দোলনের অন্যতম শীর্ষ নেতা ফুয়াদ শুকরসহ পাঁচ বেসামরিক পুরুষ, তিন নারী এবং দুই শিশু নিহত হয়েছেন। বৈরুতের উপকণ্ঠে হারেত হরিক পাড়ার কাছাকাছি একটি এলাকায় মঙ্গলবার ইসরাইলি হামলায় ফুয়াদ শুকর নিহত হবার কথা নিশ্চিত করেছে হিজবুল্লাহ।

এদিকে, ইরানের প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ জাফর মনতাজেরি দেশ থেকে রাষ্ট্রদ্রোহ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন। তেহরানে নিহত হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান শহীদ ইসমাইল হানিয়ার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানের ফাঁকে মনতাজেরি এসব কথা বলছিলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, এই মর্মান্তিক ও ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড, যা ইসলামী উম্মাহকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে, উত্তর দেওয়া যাবে না এবং অপরাধী ইসরাইলি শাসকরা শিগগিরই তাদের লজ্জাজনক কাজের জন্য শাস্তি পাবে। বুধবার ভোররাতে ইরানের রাজধানীতে তাদের বাসভবনে এক চোরাগোপ্তা হামলায় হানিয়া এবং তার এক দেহরক্ষী শহীদ হন।
মার্কিন অনুমোদন ছাড়া হানিয়াকে হত্যা অসম্ভব: ইরান