ইউক্রেনজুড়ে চলমান রুশ হামলা মোকাবেলা এবং সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা ফেরাতে জেলেনস্কি প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে দেশটির অন্তত সাতজন মন্ত্রী ও বেশ কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। অন্যদিকে প্রেসিডেন্টের একজন সহকারিকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
ক্ষমতাসীন ‘সার্ভেন্ট অফ দ্য পিপল’ পার্টির সংসদীয় দলের প্রধান ডেভিড আরাখামিয়া সামাজিক মাধ্যম টেলিগ্রামে লিখেছেন, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, এই সপ্তাহে একটি বড় ধরনের রদবদল আশা করা যেতে পারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মীদের মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি এই রদবদলের আওতায় পড়তে পারেন।
তিনি বলেন, বুধবার আমাদের বরখাস্তের দিন এবং তার পরের দিন হবে নতুন নিয়োগের দিন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, মঙ্গলবার ও বুধবার যারা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বা সরাসরি পদত্যাগ করেছেন, তারা হলেন- পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা, কৌশলগত শিল্পমন্ত্রী ওলেক্সান্ডার কামিশিন, রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি তহবিলের প্রধান ভিটালি কোভাল, উপ-প্রধানমন্ত্রী ওলহা স্টেফানিশিনা, বিচারমন্ত্রী ও পরিবেশমন্ত্রী।
এছাড়া প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির অফিসের উপপ্রধান এবং প্রেসিডেন্টের শীর্ষ সহকারিদের একজন রোস্টিস্লাভ শুর্মাকে ইতিমধ্যে বরখাস্ত করা হয়েছে।
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে জেলেনস্কি প্রশাসনে বেশ কয়েকবার রদবদলের ঘটনা ঘটেছে। গত সেপ্টেম্বরে তার প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে দুর্নীতি কেলেঙ্কারির অভিযোগে বরখাস্ত করা হয় এবং সম্প্রতি যুদ্ধক্ষেত্রে বিপত্তির দায়ে একজন শীর্ষ কমান্ডারকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।
এর আগে জেলেনস্কি এক ভাষণে বলেন, আসছে শরৎকাল ইউক্রেনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আমাদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন করে সাজাতে হবে যাতে আমাদের সকলের জন্য প্রয়োজনীয় ফলাফলগুলো অর্জন করা যায়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামী কয়েকদিনে আরও কিছু রদবদল দেখা যাবে, তবে এতে খুব একটা লাভ হবে না।
কারণ হিসেবে তারা বলছেন, জেলেনস্কি সরকার রাশিয়াকে কোনোভাবেই আটকাতে পারছে না। উল্টো নতুন করে শুরু হওয়া রুশ হামলায় পিছু হটতে শুরু করেছে ইউক্রেনীয় সেনারা। ফলে জেলেনস্কি সরকারের ওপর মানুষের আস্থা কমেছে।
ফিলিপাইনে এক নারী মেয়রকে নিয়ে তোলপাড়
‘ইমার্জেন্সি’ নিয়ে আরো অপেক্ষা করতে হবে কঙ্গনাকে