গাজায় গণহত্যা চলাকালীন সময়ে দখলদার ইসরাইলকে সহায়তা করায় প্রকাশ্যে ৩৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। সংগঠনটি জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিরা গত দুই বছরের যুদ্ধে ইসরাইলকে সহায়তা এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করেছে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গাজার দুটি নিরাপত্তা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে— ইসরাইলকে সহায়তার পাশাপাশি ওই ৩৩ জন হামাসের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলো।
এ অভিযানে হামাসের ছয়জন সদস্যও নিহত হয়েছেন। তবে নিহতদের পরিচয় এবং তারা ইসরাইলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিল কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানায়নি কোনো পক্ষ।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, হামাসকে অস্থায়ী সময়ের জন্য গাজার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এরপরই একসঙ্গে আটজনকে গুলি করে দণ্ড কার্যকরের খবর শোনা গেলো।
এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এসময় ২৫০ জন ইসরাইলিকে বন্দি করে হামাস।
এর পরপরই গাজায় বিমান হামলা ও স্থল অভিযান শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।
প্রেসিডেন্ট ‘পালানোর’ পর মাদাগাস্কারের ক্ষমতা দখল সেনাবাহিনীর
রোম সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা