পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে একই আদালতের বাইরে আত্মঘাতী বোমা হামলার দায় স্বীকার করেছে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে জেলা আদালত ভবনের সামনে পুলিশের গাড়ির কাছে এ হামলা হয়। এতে ১২ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হয়েছেন।
দায় স্বীকার করে বিবৃতিতে টিটিপি জানায়, পাকিস্তানের আইন ইসলামিক নয়। এই আইন অনুযায়ী রায় প্রদানকারী বিচারক, আইনজীবী ও কর্মকর্তারা তাদের লক্ষ্যবস্তু। ইসলামী আইন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এমন হামলা অব্যাহত থাকবে হুমকি দিয়েছে সংগঠনটি।
বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ ইসলামাবাদের একটি আদালত চত্বরের পার্কিং এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িতে আচমকা বিস্ফোরণ হয়। তারপরই ছড়িয়ে পড়ে আগুন। বিস্ফোরণের জেরে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কয়েকটি গাড়িও।
ঘটনার সময় সেখানে মানুষের ভিড় ছিল। তাদের মধ্যে ছিলেন বহু আইনজীবীও। বিস্ফোরণের পরই সেখানে হুলস্থূল পড়ে যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতো বেশি ছিল যে সেটি ছয় কিলোমিটার দূর থেকে শোনা গেছে। বিস্ফোরণের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তদন্ত। ঘিরে ফেলা হয়েছে গোটা এলাকা।
পাকিস্তানের পুলিম বলছে, গাড়িটির মধ্যে গ্যাস সিলিন্ডার ছিল। কোনও কারণে সেটি বিস্ফোরণ হয়েছে। তবে নাশকতার দিকটিও উড়িয়ে দিচ্ছে না তদন্তকারীরা। বিস্ফোরণের পরই ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকারীরা। আহতদের উদ্ধার করে পাশের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিস্ফোরণের পরই ইসলামাবাদ, রাওয়ারপিন্ডিসহ পাকিস্তানের বড় শহরগুলোতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।
