মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এবার দলীয় প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিবর্তে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিসের প্রতি নিজেদের সমর্থন ব্যক্ত করেছেন সাবেক রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের প্রশাসনের এক ডজনেরও বেশি প্রাক্তন কর্মী।
শুক্রবার এক চিঠিতে রিগ্যানের প্রাক্তন সহকারী এবং নিয়োগপ্রাপ্তরা বলেছেন, ‘আজ বেঁচে থাকলে রিগ্যান হ্যারিসকেই সমর্থন করতেন।’ ডেমোক্র্যাটিক পার্টি নয়, বরং গণতন্ত্রের প্রতি জোর সমর্থন জানানোই তাদের উদ্দেশ্য বলে উল্লেখ করেছেন তারা। খবর দ্য গার্ডিয়ান’র।
এর আগে, প্রাক্তন রিপাবলিকান প্রশাসনের ২৩০ জনেরও বেশি কর্মকর্তা হ্যারিসের প্রতি নিজেদের সমর্থন ব্যক্ত করেন।
সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের ক্যাম্পেইন কৌশলী ও সিনিয়র উপদেষ্টা কার্ল রোভ বলেছেন, হ্যারিসের সাথে বিতর্কে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শোচনীয় পারফরম্যান্সের পর ট্রাম্পকে সমর্থন করা মানে ‘শূকরের ঠোঁটে লিপস্টিক লাগানো’। তবে, এই নির্বাচনে কাউকে এনডোর্স করার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন বুশ।
রিগ্যানের কর্মীদের ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের ‘বেছে নেয়ার সময়’র কথা বিখ্যাত। যদিও তিনি এ বর্তমান মুহূর্তটি উপলব্ধি করার জন্য এখানে নেই, আমরা যারা হোয়াইট হাউসে, প্রশাসনে, প্রচারণায় এবং তার ব্যক্তিগত কর্মী হিসেবে কাজ করেছি, তারা জানি যে, তিনি আমাদের সঙ্গে হ্যারিস-ওয়ালজকে সমর্থন করতেন।’
চিঠিটিতে বলা হয়, ‘আজকে সময় এসেছে সততা ও প্রতারণার মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নেয়ার, আর এক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই হ্যারিস-ওয়ালজকে বেছে নিতে হবে। এই নির্বাচনে আমাদের ভোটদানের লক্ষ্য ডেমোক্র্যাটিক পার্টি নয়, বরং গণতন্ত্রের প্রতি জোর সমর্থন জানানো।’
হ্যারিসকে সমর্থন জানানো রিপাবলিকানের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও, ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে বহিষ্কৃত রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র ও সাবেক কংগ্রেসওম্যান তুলসী গ্যাবার্ড। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রার্থীদের প্রতি সমর্থনের অদলবদল বাড়ছে।
‘পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী ও কার্যকর আমেরিকা গড়ে তুলতে হ্যারিস ও ওয়ালজকে সমর্থন করাই একমাত্র পথ’, এটি তারা সাবেক সহকর্মীদের বোঝাতে চেষ্টা করছেন বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন রিগ্যানের সহকর্মীরা।
ট্রাম্প নির্বাচনে হারলে দায় দেবেন ইহুদিদের!