এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তিগত বৈশ্বিক আধিপত্য লড়াইয়ের তীব্র আলোচনার মধ্যেই ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রীয় সফরে এসেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এই সফর চলার সময় চীনা নেতার সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা 'সুপার ইন্টেলিজেন্স' (এসআই) নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
প্রযুক্তি খাতের এই মহাযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থান ধরে রাখার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি শি জিনপিংয়ের সাথে একটি ফলপ্রসূ আলোচনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প লিখেছেন, প্রেসিডেন্ট শি’র সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন কাটতে চলেছে। সুপার ইন্টেলিজেন্স (এসআই) আমাদের আলোচনার একটি বড় বিষয় হবে, তবে আমি বিষয়টিকে ঠিক এখন যে পর্যায়ে রয়েছে সেখানেই রাখতে চাই। চীনের অবস্থানও ঠিক এটাই। তবে আমাদের নিরাপত্তার প্রধান রক্ষাকবচ হলো ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (ডিওজে)!
বিশ্বরাজনীতি ও অর্থনীতিতে এআই-এর নিয়ন্ত্রণকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে ট্রাম্প সম্প্রতি আরও মন্তব্য করেন, আমরা এআই প্রযুক্তিতে চীনের চেয়ে এগিয়ে আছি এবং স্পষ্টতই আমি এটা এভাবেই বজায় রাখতে চাই। কারণ, যে এআই যুদ্ধে জিতবে, সে-ই শেষ পর্যন্ত বিশ্ব জয় করবে।
চলমান প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতার আবহ সত্ত্বেও দুই বিশ্বনেতার মধ্যে এখন পর্যন্ত সম্পর্কের উষ্ণ পরিবেশ দেখা গেছে। বুধবার সন্ধ্যায় জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং তাঁর সহধর্মিণীকে নিজেই অভ্যর্থনা জানান ট্রাম্প।
শি’র শারীরিক ফিটনেস ও ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করে বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাম্প লেখেন, বিমানবন্দরে প্রেসিডেন্ট শি-র সঙ্গে দেখা হলো। তাঁকে আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী, প্রাণবন্ত ও সুস্থ দেখাচ্ছে। আর ম্যাডাম শি তো যথারীতি অত্যন্ত সুন্দরী!
ওয়াশিংটনের এই রাষ্ট্রীয় সফর বিশ্ব রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের এআই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে কোন অভিমুখে নিয়ে যায়, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।
তথ্যসূত্র: সিএনএন
