নাইডু-নীতীশকে নিয়ে যেখানে ভয় বিজেপির

আপডেট : ০৪ জুন ২০২৪, ০৯:৩৯ পিএম

ভারতের এবারের লোকসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিজেপি যে একক সংঘ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না তা অনেকটাই স্পষ্ট। তাই চিন্তার ভাঁজ তাদের কপালে। কারণ জোটবদ্ধ হয়ে তাদের দিল্লির মসনদে বসতে হবে।

আর জোটবদ্ধ হয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার বিষয়টি যত স্পষ্ট হচ্ছে ততই ভারতের দুই রাজনীতিককে নিয়ে আলোচনা চলছে সর্বত্র।

ওই দুই রাজনীতিক হলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ) নেতা নীতীশ কুমার এবং অন্ধ্র প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তেলুগু দেশম পার্টির (টিডিপি) চন্দ্রবাবু নাইডু। আর এদের নিয়েই ভয় বিজেপির। ঘাঁটি উত্তর প্রদেশে শোচনীয় ফলাফলের কারণে ভয়টা যেন একটু বেশিই।

এদিকে ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, কংগ্রেস জেডিইউ এবংটিডিপির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। কংগ্রেসের এক নেতা বলেছেন, মঙ্গলবার নীতীশ কুমারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা সম্রাট চৌধুরী। তবে তিনি দেখা করেননি।

তবে বিজেপির ভয় পাওয়ার কারণটা ভিন্ন। নীতীশ কুমার ও চন্দ্রবাবু নাইডু দুই জনই ভারতীয় রাজনীতিতে ডিগবাজি দেয়ার জন্য প্রসিদ্ধ।

নীতীশ কুমার ও চন্দ্রবাবু নাইডু দু’জনই তাদের রাজনৈতিক জীবনে বহুবার বিজেপির কাঁধে চড়েছেন আবার নেমেছেন।

ভারতে নির্বাচনের আগে যে সব ‘প্রাক-নির্বাচনি সমঝোতা’ হয়, ভোটের পরেও কোনো একটা জোটের সেই দলগুলোকে একসঙ্গে থাকতে হবে, সেরকম আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই।

নীতীশ কুমারের দল বিহারের ১২টি আসনে ও চন্দ্রবাবু নাইডুর দল অন্ধ্রের ১৬টি আসনে জিতছে বা এগিয়ে । অর্থাৎ এই দুই দলের ঝুলিতে আসছে ২৮টির মতো আসন। এই দুজনের সমর্থন পেলে তবেই বিজেপির পক্ষে অনায়াসে টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গড়া সম্ভব হবে।

এছাড়া জনশক্তি পার্টি, শিবসেনা, রাষ্ট্রীয় লোকদলের মতো আরও কয়েকটি ছোট দলের সমর্থন পেয়ে গেলে সরকার শক্তিশালী হবে, সেটা বলাই বাহুল্য।

অটল বিহারি বাজপেয়ি যখন প্রধানমন্ত্রী, চন্দ্রবাবু নাইডু বিজেপি সরকারকে সমর্থন দিয়ে একের পর এক সুবিধা আদায় করেছেন। আবার ছেড়ে যেতে দ্বিধাও করেননি।

নাইডু অন্ধ্রের কিংবদন্তি চিত্রতারকা ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এন টি রামারাওয়ের (এনটিআর) জামাই। তবে নিজে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্য এমন শ্বশুরের সঙ্গে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করতেও দ্বিধা করেননি।

চন্দ্রবাবু কিছুদিন বিজেপি ও কংগ্রেসের বাইরে ছিলেন। একসময় আবার ফেরেন গেরুয়া শিবিরে। এরপর বহুদিন বিজেপিকে ছেড়ে ছিলেন। এবার নির্বাচনের ঠিক আগে তিনি পদ্ম শিবিরে জুড়ে যান।

এজন্যই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ভোটের পরে চন্দ্রবাবু যে বিজেপির সঙ্গে থাকবেন তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারেও একই ধারা। সেই ২০০৫ সাল থেকে তিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। এই দীর্ঘ সময়ে কখনো তার দল জেডিইউ’র বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিলো, কখনো ছিলো না। সে যাই হোক, নীতীশ কুমারেরর মুখ্যমন্ত্রী থাকায় তাতে কোনো সমস্যা হয়নি।

কখনও বিজেপি, কখনও কংগ্রেস-আরজেডির মতো দলের পিঠে চড়ে তিনি ঠিকই সব সমালে নিয়েছেন। গত এক দশকে তিনি দু’বার বিজেপির হাত ধরেছেন এবং দু’বার আরজেডি-কংগ্রেস জোটের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন।

বিজেপির সঙ্গে নীতীশ কুমারের সর্বশেষ সমঝোতা হয়েছে লোকসভা নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে। কিন্তু নির্বাচনের ফলে বিজেপি একক গরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সেই সমঝোতা ভোটের পরও টিকবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে।  

কেএসএইচ
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এবং মূল ফটক ডিঙিয়ে দিল্লির বিখ্যাত যন্তর মন্তরে প্রবেশের দায়ে গ্রেপ্তার হওয়া কাকরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই শীর্ষ নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের বিচার বিভাগীয় জেল হেফাজতের...
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ কিংবা ফ্রান্সের তুলনা টেনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর করা ‘শাসন পরিবর্তন’ মন্তব্য নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই বিতর্কের জবাবে কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা ও সংসদ...
ভোটার তালিকা সংশোধনে অনিয়মের অভিযোগে ভারতের রাজধানী দিল্লির কনট প্লেসে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ বা জাতীয় পতাকা পদযাত্রার পরিকল্পনা করার দায়ে গ্রেপ্তার হওয়া কাকরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা...
ভারতের রাজনীতিতে এখন চরম উত্তেজনার পারদ! সৌজন্যে- জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ ছাত্রনেত্রী নেহা বোরা এবং তার একটি বিস্ফোরক ভিডিও। সাক্ষাৎকারের একটি ক্লিপে নেহাকে বলতে শোনা গেছে, ভারতের...
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান মঙ্গলবার বিশ্ব অস্টিওপোরোসিস দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধবিষয়ক এক বৈজ্ঞানিক...
স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর দেশ পুনর্গঠনের ঐতিহাসিক শুভক্ষণে বঙ্গভবনে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে এক রাজকীয় ও আন্তরিক বৈঠকে মিলিত হলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে বন্ধুর স্ত্রীর মন চুরি, এরপর পরকীয়ার ফাঁদে ফেলে এক ছাদের নিচে সংসার পাতা- প্রেম আর বিশ্বাসের এই নাটকে শেষ পর্যন্ত রক্তের ছোপ লাগলো! ধুনটে বন্ধুর ওপর দীর্ঘদিনের জমানো...
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে এক গৃহবধূকে (২৩) জোরপূর্বক অপহরণের পর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় ৬ আসামির সবাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত প্রতিটি আসামিকে এক লাখ টাকা...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর