জাপানের ইশিকাওয়া প্রিফেকচারে অতিবৃষ্টিতে বন্যা ও ভূমিধ্বসে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত নিখোঁজ আছেন ১০ জন। বন্যায় এই অঞ্চলের ওয়াজিমা ও সুজু শহর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শনিবার থেকে শুরু হয়ে এ আকস্মিক বন্যা সোমবার বিকেল পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, রোববার সেপ্টেম্বরের স্বাভাবিকের দ্বিগুণ বৃষ্টিপাত প্রত্যক্ষ করেছে ওয়াজিমা ও সুজু নগরবাসী। কয়েক ডজন নদীর পানি দুই তীরে উপচে পড়েছে। ফলে পার্শ্ববর্তী অসংখ্য রাস্তা পানিতে ডুবে গেছে।

ওয়াজিমা শহরে ভূমিধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত একটি সুড়ঙ্গের কাছ থেকে দুই ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য নিহতদের মধ্যে দুইজন বৃদ্ধ ও একজন বৃদ্ধা ছিলেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
শনিবার জাপানের আবহাওয়া সংস্থা ইশিকাওয়া অঞ্চলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছিল। পরদিন একে সাধারণ সতর্কতার পর্যায়ে নামিয়ে আনা হয়। তবে সোমবার দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।
চলতি বছরের প্রথমদিনে ভয়াবহ ভূমিকম্পের শিকার হয় জাপান। সেই দুর্যোগে ঘরবাড়ি হারানো মানুষকে অস্থায়ী আবাসন গড়ে দেওয়া হয়েছিল। বন্যায় সেগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটির প্রচারমাধ্যম এনএইচকে’র এক ফুটেজে দেখা যায়, ওয়াজিমার একটি সম্পূর্ণ সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে।
হোকুরিকু ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি জানিয়েছে, সোমবার প্রায় চার হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল।
ইশিকাওয়ার ওয়াজিমা, সুজু, নোতোসহ চার শহরের ৪০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইশিকাওয়ার উত্তরে অবস্থিত নিইগাতা ও ইয়ামাগাতা প্রিফেকচারের ১৬ হাজার বাসিন্দাকেও সরে যেতে বলেছে কর্তৃপক্ষ।
অতিবৃষ্টির বন্যায় উড়িষ্যায় ১১ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত