গত মাসে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তার দেশে কামানের গোলা সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘আমাদের সরবরাহ কমে গেছে’ উল্লেখ করে জেলেনস্কি সাংবাদিকদের বলেন, বিশেষ করে ইউক্রেনের পূর্ব এবং দক্ষিণ ফ্রন্টলাইনে ব্যাপক ব্যবহৃত ১৫৫ মিলিমিটার শেল সরবরাহ একেবারেই স্তিমিত হয়ে পড়েছে।
গত মাসে হামাস যোদ্ধারা ইসরাইলের দক্ষিণে হামলা চালানোর পর মার্কিন সাহায্যপুষ্ট ইসরাইল গাজা উপত্যকায় অবিরাম গুলি চালিয়ে যাচ্ছে।
জেলেনস্কি সাংবাদিকদের বলেন, এটা এমন নয় যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে কিছু দিতে চাইছে না। তবে এটা ঠিক যে সবাই নিজেদের মজুতের জন্য লড়াই করছে।
রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয়ই প্রায় দুই বছর ধরে চলমান সংঘাতে শেল মজুদ রাখতে ও সুরক্ষিত করতে লড়াই করছে।
দক্ষিণ কোরিয়া দাবি করেছে, রাশিয়ার মিত্র পিয়ংইয়ং স্যাটেলাইট প্রযুক্তির বিষয়ে পরামর্শের বিনিময়ে ইউক্রেনে মস্কোর যুদ্ধকে শক্তিশালী করতে এক মিলিয়ন রাউন্ড আর্টিলারি পাঠিয়েছে।
এদিকে, জার্মানি এ সপ্তাহে বলেছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এক বছরের মধ্যে ইউক্রেনে এক মিলিয়ন আর্টিলারি শেল পাঠাবে। ব্লকটি কিয়েভের জন্য অস্ত্র সরবরাহ নিশ্চিত করতে লড়াই করছে।
জেলেনস্কি কিয়েভে সাংবাদিকদের বলেছেন, এখন গুদামগুলি খালি। একটি নির্দিষ্ট রাষ্ট্র ন্যূনতম সরবরাহও করতে পারছে না। জেলেনস্কি অবশ্য উৎপাদন বাড়াতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন।
রাশিয়া বা ইউক্রেন উভয়ই এক বছরের জন্য কোন উল্লেখযোগ্য অর্জন এ যুদ্ধে করতে পারেনি। কিয়েভের শীর্ষ সেনা কমান্ডার বলেন, যুদ্ধ একটি অচলাবস্থার সৃষ্টি করেছে।
ইইউ প্রতিশ্রুত গোলা ও ক্ষেপণাস্ত্র পাচ্ছে না ইউক্রেন