জান্তাবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) উত্তর রাখাইন রাজ্যে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে রাজ্যের অধিকাংশ দখল করেছে তারা । রাজ্যের রাজধানী সিত্তয়ের আঞ্চলিক অপারেশন কমান্ডকে আত্মসমর্পণ করতে বলেছে তারা। এখানকার রাস্তায় রাস্তায় চলছে লড়াই।
এছাড়াও অনেক জান্তা ঘাঁটি, সীমান্ত ফাঁড়িসহ দক্ষিণ চিন রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো দখল করে নিয়েছে বিদ্রোহীরা। এদিকে, মিয়ানমার ছেড়ে পালানোর সময় শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে থাইল্যান্ডের পুলিশ। খবর ইরাবতী’র।
সিত্তয়ে শহরে আরাকান আর্মির প্রবেশ ঠেকাতে এরই মধ্যে ইয়াঙ্গুন-সিত্তয়ে সড়কে একটি সেতু উড়িয়ে দিয়েছে জান্তা। সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সিত্তয়ে ত্যাগ করেছেন। প্রাণরক্ষায় এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন অনেক বাসিন্দাও।
এদিকে, জান্তার বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগের ঘোষণার পর থেকে দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন হাজার হাজার মিয়ানমার নাগরিক। ফলে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে থাইল্যান্ডে পালাতে চাচ্ছেন অনেকে। এমনই ১০০ জনেরও বেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে থাই পুলিশ।
থাইল্যান্ডে অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করা একটি সংগঠন জানিয়েছে, ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে পাঁচদিনে সীমান্তে ১০৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
লড়াইয়ে ব্যাপক আহত ও নিহতের কারণে সেনা ঘাটতি পূরণ করতে মিয়ানমারের জান্তা ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সের জন্য সেনাবাহিনীতে নিয়োগ আইন বলবৎ করেছে। এতে ভয়ে দেশ ছাড়ছেন দেশটির নাগরিকরা।
রাখাইনে হাসপাতালে জান্তার বিমান হামলা