নানারকম
বদভ্যাস এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে বয়স তিরিশ পার হলেই এখন মানুষের শরীরে বাসা
বাঁধছে অরেক রোগ। কারও রক্তে সুগারের পরিমাণ বেশি, কেউ ভুগছেন উচ্চ রক্তচাপে, কেউ হৃদরোগে
আক্রান্ত, কেউ মুটিয়ে যাচ্ছেন আবার কেউ ভুগছেন কিডনির রোগে। অনেকের আবার ফ্যাটি লিভার।
আর এসব সমস্যার মূলে রয়েছে খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম। চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরা বলছেন, নিয়মমাফিক
খাওয়াদাওয়া করলেই অনেক রোগব্যাধির হাত থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে। কোন কোনো অভ্যাস
রপ্ত করলে শরীর চাঙ্গা হবে তা এবার জেনে নেয়া যাক।
সুষম খাদ্য মেনুতে রাখুন
আগামীকাল কী খাবেন তা আজই ঠিক করে রাখুন। খাবারের তালিকায় শর্করা, আমিষ, চর্বি, ভিটামিন ও আঁশের যেনো সুষম সমন্বয় থাকে সেদিকে নজর রাখুন। বাইরের খাবারকে যতটা সম্ভব না বলুন। বাড়ির খাবারের দিকে মনোযোগী হতে হবে।
খাওয়ার সময় ঠিক রাখুন
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর দেহের বিপাকক্রিয়া সক্রিয় থাকে। সকালে ঘুম থেকে উঠে দুঘণ্টার মধ্যেই খাওয়া সারতে পারলে ভালো হয়। রাতে ঘুমের পর দীর্ঘক্ষণ পেট খালি থাকে। তাই সকালে বিপাকের জ্বালানি হিসাবে সময়মতো খেলে শরীর চাঙ্গা হয়। সময় গড়ানোর সাথে সাথে বিপাকের গতি ধীর হয়ে যায়। এজন্য রাত আটটার মধ্যে নৈশভোজ করা দরকার।
ব্রেকফাস্ট অবশ্যই
অনেকেই সকালে না খেয়েই কাজে বেরিয়ে পড়েন। অনেকে আবার দুপুর আর সকালের খাবার একসঙ্গে খেয়ে ফেলেন। এই অভ্যাস সুবিধার নয়। পুষ্টিবিদরা বলেন, এর পলে অনেকের ওজন বেড়ে যায়। সকালের প্রথম খাবারটা পেট ভরে খাওয়ার পরামর্শ দেন তারা। আর সেই খাবার হতে হবে সুষম। বেশি শর্করা বা বেশি আমিষ শরীরের জন্য ঠিক নয়।
বিকেলে ভাজাভুজি নয়
দুপুরের পর একটা বড় সময় কাজে থাকার কারণে অনেকেরই বিকেলে খিদে পায়। এই সময়টাতে অনেকে তেলেভাজা বা ফাস্টফুড খেয়ে পেট ভরান। এটা করা যাবে না। পারলে বাড়ি থেকে সালাদ, অঙ্কুরিত ছোলা, ফলের সালাদ এসব নিয়ে বের হোন। মৌসুমী ফল খান। খেতে পারেন ড্রাইফ্রুটসও।
প্রয়োজন মতো পানি পান
শরীরের সমস্ত কাজ পরিচালনার জন্য দরকার পানি। ওজন কমাতেও পানির দরকার। এর জন্য বেশি করে পানি পান করতে হবে। তবে সেটা যেনো আবার অতিরিক্ত না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। বাসার বাইরে থাকলে পানির বোতল সঙ্গে রাখুন। গরমের দিনের দইয়ের শরবতও পান করতে পারেন। তবে চিনিটা এড়িয়ে গেলে ভালো।
একাত্তর/কেএসএইচ
