বাড়িতে অতিথি এসেছিলো, রান্না হয়েছিলো কয়েক পদের। সবাই খাওয়ার পরে বেঁচে গিয়েছে অনেকটা। খাবারগুলো ফ্রিজে তুলে রাখবেন পরের খাওয়ার জন্য। কিন্তু ফ্রিজে রাখা এই খাবার অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়।
অনেকে আবার রোজকার একঘেঁয়ে হেঁশেলের কাজ থেকে বাঁচতে কয়েকদিনের রান্না একবারে করে রাখেন। অফিসে কাজের চাপ, রোজ রোজ রান্নার ঝক্কি এড়াতে অনেকেই এক দিন খানিকটা সময় ব্যয় করে বেশি করে রেঁধে নেন। তাতে পরের কয়েক দিন নিশ্চিন্ত থাকা যায়। অনেক সময় দেখা যায়, হিসাব করে রান্না করলেও খাবার বেঁচে যায়। রাতের জন্য মাংস ভুনা রেঁধেছিলেন। কিন্তু সন্ধেবেলায় ভারী নাস্তা খাওয়ায় ভুনা মংস অনেকটাই থেকে গেলো। অগত্যা বাকি মাংস বাটিতে ভরে ফ্রিজে তুলে রাখতে হলো।
এমন রান্না করা মাছ, মাংস, ভাত, ডাল প্রায়ই বেঁচে যায়। তবে খাবার সংরক্ষণ করা খুব একটা সহজ নয়। ঠিক পদ্ধতি মেনে না রাখলে অল্প দিনেই নষ্ট হয়ে যায়। প্রায়ই দেখা যায় ফ্রিজে রাখার পরে খাবার একটু তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এমনিতেই রান্না করার খাবার চারদিনের বেশি ফ্রিজে রাখা উচিত নয়।
রান্না করা খাবার ভালো রাখার কৌশলগুলো চলুন জেনে নিই
সঠিক পাত্র ব্যবহার করুন
কোন ধরনের পাতের খাবার রাখছেন, তার ওপর নির্ভর করছে কত দিন পর্যন্ত ভাল থাকবে। খাবার সংরক্ষণের জন্য সব সময়ে বড় পাত্র বেছে নিন। ভেতরে জায়গা বেশি থাকলে খাবারও অনেক দিন ভালো রাখা সম্ভব। ছোট কৌটোতে খাবার রাখলে তাড়াতাড়ি গন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

জিপলক ব্যাগ
মটরশুঁটি কিংবা অন্য কোনও সবজি রাখার জন্য অনেকেই জিপলক ব্যাগ ব্যবহার করেন। রান্না করা খাবারও এই ব্যাগে রাখতে পারেন। তবে সে ক্ষেত্রে ভাজা কিংবা শুকনো কোনো পদ রাখতে হবে। ঝোল জাতীয় খাবার না রাখাই ভালো।
কোন তাকে কোন খাবার রাখছেন
অনেকের বাড়িতেই ফ্রিজের উপর থেকে নিচ সব তাকগুলিই খাবারের পাত্রে ভর্তি থাকে। কিন্তু বিশৃঙ্খল ভাবে রাখলে খাবার বেশি দিন পর্যন্ত ভালো রাখা সম্ভব নয়। ফ্রিজের একটি তাকে যদি মাছ, মাংস রাখেন, তা হলে সেই তাকে দুধের তৈরি খাবার রাখবেন না। পায়েস, সেমাই বা মিষ্টি জাতীয় খাবার সেক্ষেত্রে আলাদা তাকে রাখুন। সব একসঙ্গে রাখলে কম দিনেই খাবার গন্ধ হয়ে যেতে পারে।
আর এটা নিশ্চয়ই বলে দিতে হবে না যে, গরম কোনো খাবকার ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখতে নেই। অবশ্যই ঢাকানাযুক্ত পাত্রে খাবার রাখতে হবে। ওহ, ফ্রিজে ডিম ধুয়ে রাখেন তো?
