কর্মক্ষেত্রে নানা বিষয় নিয়ে অধিকাংশ মানুষই এখন মানসিক ক্লান্তিতে ভোগেন। সেই থেকে আসতে পারে অবসাদ। কর্মক্ষেত্রে যে কারণগুলি কর্মীদের দুর্ভাবনায় রাখে, তার মধ্যে অন্যতম বড় কারণ হলো, বড়কর্তা অর্থাৎ বসের সঙ্গে মতের মিল না হওয়া।
বসের সব কথাই আমাদের মন মতো হবে, এমনটা নয়। মানুষভেদে ভাবনা বা চিন্তাধারা আলাদা হওয়াটাই স্বাভাবিক। কেউ বসের কথার সঙ্গে একমত না হলে সেটাও তাকে জানানো জরুরি।
কিন্তু বড়কর্তার মুখের ওপর সে কথা বলে দিলে তিনি রেগে যেতে পারেন কিংবা বিরক্ত হতে পারেন। আবার না বললেও সমস্যা।
তাহলে জেনে নিন, কোন কায়দায় বসের সামনে আপনার দ্বিমতের কথা বললে তার রাগও হবে না, আর আপনার কাজও হয়ে যাবে।
- বসের সঙ্গে অযথা তর্ক করতে যাবেন না। বসের মতের সঙ্গে আপনি কেন একমত হতে পারছেন না, সেই যুক্তিগুলি নিজের কাছে তৈরি রাখুন। বসকে যুক্তি বোঝানোর আগে নিজেকে আগে ভালো করে বিষয়টি বুঝতে হবে।
- সময়-সুযোগ বুঝে কথা বলতে হবে। কনফারেন্স রুম বা বসের রুম, ঘরভর্তি লোকের সামনে আপনি বসের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করছেন, সে কথা ভুলেও বলতে যাবেন না। অন্য কোনো সময় একান্তে এই বিষয়ে বসের সঙ্গে কথা বলুন।
- কী নিয়ে, কেন আপনার দ্বিমত সেই যুক্তি তৈরি রাখুন। বসের সঙ্গে দ্বিমতের বিষয়ে তখনই কথা বলুন যখন আপনি পাল্টা যুক্তি দিতে পারবেন। ঠান্ডা মাথায়, বিনয়ের সঙ্গে নিচু গলায় আপনার যুক্তিগুলি বসের সামনে রাখুন।
- সবসময় একটা কথা মনে রাখবেন, বসের সঙ্গে আলোচনার সময় উত্তেজিত হয়ে পড়লেই মুশকিল। আপনার যুক্তির পাল্টা যুক্তি বসও দিতে পারেন। তর্কে না গিয়ে মন দিয়ে সেই কথাগুলি বোঝার চেষ্টা করুন।
- এমনও পরিস্থিতি আসতে পারে, যখন বস আপনার কথা কিছুতেই মানতে চাইছেন না, আপনিও পিছু হটতে নারাজ। সে ক্ষেত্রে মাঝামাঝি কোনো এক পথ খোঁজার চেষ্টা করুন। আপনি কীভাবে সেই কথাটি বসের সামনে তুলে ধরছেন, তাতেই আপনার বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ পাবে। বোঝা যাবে আপনি কতটা স্মার্ট।
