আর কিছুক্ষণ পরেই শুরু ১৪ ডিসেম্বর। মহান শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করবে একাত্তরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের।
যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালনে রায়ের বাজার ও মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ধোয়া-মোছার কাজ শেষ। মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) ভোরে সূর্যোদয়ের পরপরই শ্রদ্ধা জানানোর জন্য খুলে দেয়া হবে স্মৃতিসৌধের দুয়ার।
বিজয়ের প্রাক্কালে বিষাদের দিন- ১৪ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস মিলিতভাবে পরিকল্পনা করে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।
বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঠিক দুই দিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানী বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির সূর্য সন্তানদের স্মরণ করতে এরইমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের পরিচ্ছন্নতা ও ধোয়া-মোছার কাজ শেষ।
আরও পড়ুন: এমাসেই বুস্টারডোজ, আগে ফ্রন্টলাইনার ও বয়স্করা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) শেষ মুহূর্তে মাইক ও লাইট বসানোর কাজ করেছে গণপূর্তের কর্মীরা। মঙ্গলবার ভোরে সূর্যোদয়ের পরপরই সাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য স্মৃতিসৌধের দুয়ার খুলে দেয়া হবে।
ঢল নামবে হাজারো মানুষের। শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি স্মৃতিসৌধ এলাকায় থাকছে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও নানা আয়োজন।
মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ভোরে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।
পরে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্যবৃন্দ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা সকাল ৭টা ২২ মিনিটে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এবং সকাল সাড়ে আটটায় রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
করোনা পরিস্থিতি চলছে। এরইমধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভাইরাসটির নতুন ধরন ওমিক্রন। তাই, বুদ্ধিজীবী দিবসের আয়োজনে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অংশ নেয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
একাত্তর/এসজে
