বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে বসছে ভারত-বাংলাদেশ সচিব পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। এই বৈঠকে ছয়টি অভিন্ন নদী নিয়ে আলোচনা হলেও ঠাঁই পাচ্ছে না তিস্তা ইস্যু।
চেন্নাইয়ে বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের অগ্রগতি পরখ করতে ভারতের উদ্দেশে এরই মধ্যে দেশ ছেড়েছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। তিন দিনের সফর শেষে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার উদ্দেশে নয়াদিল্লি ত্যাগ করবেন পররাষ্ট্র সচিব।
যাবার আগে পররাষ্ট্র সচিব জানান, সীমান্ত হত্যা বন্ধে এখন পর্যন্ত অগ্রগতিতে বাংলাদেশে সন্তুষ্ট হলেও বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে কথা হবে। দুই দেশের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার মধ্যে থাকবে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ও।
মুজিববর্ষের স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসে ভারতের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান বাংলাদেশ সফর করে গেছেন। সচিব জানান, এ বছর সুবিধাজনক সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও রাষ্ট্রীয় সফরে ভারত যাবেন। এর পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে আলাপ করা হবে।
আলোচনায় দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গুরুত্ত্ব পেলেও জোর দেয়া হয়েছে জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশনের জেসিসি পরবর্তী বৈঠকের বিষয়ে। কারণ ৫৪ টি অভিন্ন নদীর পানিবন্টনে বেশ কয়েকটির ক্ষেত্রেই এক মত হতে পেরেছে বাংলাদেশ।
এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর আরো বেশ কিছু উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, সীমান্তে এখন যে হত্যাকান্ড হচ্ছে তা সন্ত্রাস বন্ধের জন্য করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: দুর্নীতি ও অনিয়মের আখড়া সরিষাবাড়ি সাব-রেজিস্ট্রার অফিস
মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা ছাড়ার পর প্রথমেই তিনি গিয়েছেন দক্ষিণ ভারতের সবচেয়ে বড় রাজ্য তামিল নাড়ুর রাজধানী চেন্নাইয়ে। সেখানে বাংলাদেশের উপহাইকমিশনের প্রতিষ্ঠা কাজের অগ্রগতি পরখ করবেন পররাষ্ট্র সচিব।
এদিকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামানিয়াম জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। জয়শঙ্কর এ বিষয়ে ভারতের অবস্থান তুলে ধরেন। গত সোমবার রাতে প্যারিসে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এ বৈঠক প্রসঙ্গে মঙ্গলবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। ফ্রান্স আয়োজিত ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ে একটি বৈঠকে যোগ দিতে তারা প্যারিসে আছেন।
