সাত মার্চের ভাষণ আর মুছে ফেলা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ০৭ মার্চ ২০২২, ০৯:৩৩ পিএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রত্যয়ের সঙ্গে বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক সাতই মার্চ ভাষণ আর কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। এই ভাষণ এখনো বাঙালিকে প্রেরণা যোগায়। 

সোমবার ঐতিহাসিক সাত মার্চ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, আজ এটি প্রমাণিত সত্য যে, সত্য কেউ কখনো মুছে ফেলতে পারে না। আর সাত মার্চের ভাষণেই তো জাতির পিতা বলে গেছেন- কেউ দাবাইয়া রাখতে পারবা না। বাঙালিকে কেউ দাবায় রাখতে পারে নাই।

image

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সারা জীবনের রাজনৈতিক সংগ্রামের অভিজ্ঞতা থেকে সাত মার্চের ভাষণ দিয়েছিলেন। জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে ভাষণ শেষ করেছিলেন। কিন্তু এই ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। আর কেউ ভাষণ মুছে ফেলতে পারবে না। 

আরও পড়ুন: স্বাধীনতাবিরোধীরা এখনো ষড়যন্ত্র করছে: কাদের

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সাত মার্চের ভাষণ বাজানো নিষিদ্ধ ছিল। আমাদের ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মী, আমাদের আওয়ামী লীগের অনেক নেতা কর্মীকে ৭ই মার্চের ভাষণ বাজাতে গিয়ে নির্যাতিত হতে হয়েছে। তাদের গুলি খেয়ে মরতে হয়েছে। 

তাদের ওপর চরম অত্যাচার চলেছে। ২১ বছর বাঙালী জাতি স্বাধীনতার বিকৃত ইতিহাস শুনেছে। আর একুশটা বছর ধরেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, লাখো শহীদের রক্তদান, আমাদের সংগ্রাম- সব কিছু ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে।

সরকার প্রধান বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন ভাষণ দিতে যাবেন তখন অনেক রাজনৈতিক দল, অনেক ছাত্রনেতা পরামর্শ দিতে থাকেন যে কি করা উচিত। 

কয়েকটা ছাত্রনেতা তো বলেছিলেন যে আজ সরাসরি তো স্বাধীনতার ঘোষণা দিতেই হবে। না হলে তো মানুষ হতাশ হয়ে যাবে- এমনটাও বলেছিল। 

আমাদের কিছু কিছু বুদ্ধিজীবী অনেকে অনেক পয়েন্ট লিখে লিখে দিয়ে গেছেন। অনেকেই পরামর্শ দিয়ে গেছেন। আমাদের বাসাটা তখন উন্মুক্ত ছিল। সবার জন্য খোলা ছিল।

তিনি বলেন, আমার আব্বাকে আমার মা একটা কথাই বলেছিলেন, সারাটা জীবন তুমি সংগ্রাম করেছ এ দেশের মানুষের জন্য। তুমি জানো এ দেশের মানুষের জন্য কোনটা ভালো। তোমার মনে যেটা আসবে তুমি ঠিক সেটাই বলবা। 

তোমার কারো কথা শোনার প্রয়োজন নাই। আজ আপনারা যে ভাষণটা দেখেন তার (বঙ্গবন্ধুর) কাছে কিন্তু কোনো কাগজ নাই, কিছু নাই। তিনি একাধারে বঞ্চনার ইতিহাস পড়ে যাচ্ছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, একটি মাত্র ভাষণ যা কেউ কোনোদিন বের করতে পারবে না, যে এই ভাষণটা কত ঘণ্টা, কত মিনিট, কত দিন বাজানো হয়েছে। 

এর হিসাব করা একটি কঠিন ব্যাপার। যুগ যুগ ধরে শুনছি এবং বাজানো হচ্ছে। কত কোটি কোটি মানুষ শুনেছে। যতই বাধা দেয়া হয়েছে ততই যেন ভাষণ আরও উদ্ভাসিত হয়েছে।

তিনি বলেন, এখনও এই ভাষণ আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়। এ ভাষণের প্রতিটি লাইন একেকটার কবিতার অংশ। 

ভাষণের যে ঐতিহাসিক কথা- এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে এই লাইনটা বাজানো হতো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা ভাষণ শেষ করেছেন ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে। বাঙালীর জয়, বাংলার জয়, বাংলার মানুষের জয়, এই জয় বাংলা স্লোগান। আমার আত্মবিশ্বাস আর কোনোদিন কেউ এই ইতিহাস মুছে ফেলতে পারবে না। একটি ভাষণের মাধ্যমে বাঙালী জাতি উদ্বুদ্ধ হয়েছিল। সশস্ত্র গেরিলা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে এবং স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনে।


একাত্তর/এসজে
বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি, দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যকার সুদীর্ঘ কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও সুসংহতকরণ এবং অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা যে যেই ধর্মেরই হই না কেন, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশের নাগরিক।’
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
‘করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’- যেসব অপশক্তি এই মূলমন্ত্র ও জাতীয় নীতিতে বিশ্বাস করে না, তারা এখন দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে নতুন ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে বলে অভিযোগ করেছেন...
শারদীয় পূজার ছুটিতে স্বজনদের সঙ্গে আনন্দের মুহূর্ত কাটাতে রাজশাহীতে ভায়রার বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন ব্যাংক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম ও তাঁর পরিবার। কিন্তু ঘাতক ট্রাকের সঙ্গে বাসের এক ভয়াবহ...
জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট ক্ষতিকর নির্গমনের কারণে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন আশঙ্কাজনক হারে ত্বরান্বিত হচ্ছে, যা পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল পরিবেশব্যবস্থাগুলোকে ধ্বংসের চরম বা ‘টিপিং...
পৌরাণিক আখ্যান অনুযায়ী দেবী দুর্গার হাতে মহিষাসুরের পরাজয় কেবল এক প্রাচীন দেব-অসুরের যুদ্ধের কাহিনী নয়, বরং তা যুগে যুগে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের এবং অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভশক্তির এক চিরন্তন...
শারদীয় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশ দলের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা ভেস্তে দিল বগুড়ার আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা। মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া শহরের...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর