চা শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানে বাগান মালিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল চারটার পর গণভবনে এ বৈঠক শুরু হয়।
এতে দেশের বৃহৎ ১৩ চা বাগান মালিক উপস্থিত আছেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য গত ৯ আগস্ট থেকে ৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে দুই ঘণ্টা করে ধর্মঘটে নামেন চা শ্রমিকরা।পরবর্তীতে ১৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পূর্ণদিবস কর্মবিরতিসহ মানববন্ধন, সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল ও মহাসড়ক অবরোধ করে ধর্মঘট পালন করে আসছেন।
মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলতে শ্রীমঙ্গলে আসেন শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদ মামুন চৌধুরী। তিনি ধর্মঘট স্থগিত করে আলোচনায় বসার আহবান জানালে চা শ্রমিক ইউনিয়ন তা প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।

একইভাবে বুধবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনে চা-বাগান মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদ মামুন চৌধুরীর বৈঠক হয়। সন্ধ্যায় ছয়টার দিকে শুরু হওয়া বৈঠক শেষ হয় রাত ১১টায়।
সেদিন চা শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে প্রায় পাঁচ ঘণ্টার মতো ত্রি-পক্ষীয় বৈঠকের পরও কোনো সমঝোতা হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিক নেতারা বৈঠক করে দাবি আদায়ে ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন: বিদ্যুতে উন্নতি, আগামী মাস থেকে আরও ভালো হবে: প্রতিমন্ত্রী
শনিবার (২০ আগস্ট) বিকেল তিনটার দিকে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের কার্যালয়ে বৈঠকের মাধ্যমে শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি হিসেবে ১৪৫ টাকার ঘোষণা করা হয়। এরপর আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন চা শ্রমিক নেতারা। কিন্তু সন্ধ্যার পর আবারও তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
শেষ পর্যন্ত প্রশাসন থেকে শুরু করে চা শ্রমিক সংগঠনের নেতারা শ্রমিকদের কাজে যোগদান করতে অনেক চেষ্টা করলেও ফল হয়নি।
শ্রমিকরা ঘোষণা দিয়েছেন, এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের পরই তারা কাজে ফিরবেন।
একাত্তর/এসি
