বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক জোরালো করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন ভারতীয় হাইকমিশনার। এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রণয় কুমার ভার্মা বলেন, বর্তমানে আমরা একাধিক প্রকল্প নিয়ে কাজ করছি যেন উভয় দেশের মধ্যকার সীমান্ত যোগাযোগ আরও উন্নত হয়। এর মধ্যে দিয়ে আমরা যেন জনগণ ও অর্থনীতিকে একীভূত করতে পারি। তাহলে দুই দেশের উন্নয়নের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও মজবুত হবে।
এসময় রাজশাহী অঞ্চল অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, রাজশাহীর উন্নয়নেও কাজ করবে ভারত সরকার। সবুজ ও সুন্দর এ জনপদের মানুষ অনেক বেশি সংস্কৃতিমনা। তাই রাজশাহীর সংস্কৃতির উন্নয়নেও আমরা কাজ করছি। শিগগিরই আরও ভালো কিছু হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অবিস্মরণীয়। আর শুধুমাত্র ভৌগলিক ও ঐতিহাসিকভাবেই নয়, হৃদয়ের সম্পর্কের দ্বারাও আমরা ও আমাদের দেশ সংযুক্ত। আগামীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে ভারত সরকার সম্ভব সব ধরনের সহযোগিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করলে এ সময় হাইকমিশনার সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

আরও পড়ুন: পদ্মা সেতুতে বাইক চলবে বৃহস্পতিবার থেকে
এর আগে ভারতীয় হাইকমিশনার রাবি উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসন ভবনে উপাচার্য দপ্তরে এ সাক্ষাতকালে উপাচার্য হাইকমিশনারকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।
পরে তিনি রাবি ক্যাম্পাসের শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা, বদ্ধভূমি, কেন্দ্রীয় মন্দিরসহ বিভিন্ন দর্শনীয় এলাকায় যান।
পরিদর্শনের সময় রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার, রাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর, প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সাউদ, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডেসহ সংশ্লিষ্ট অন্য কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পরে উপাচার্য ভারতীয় হাইকমিশনারকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভেচ্ছা স্মারক ও পরিচিতি প্রকাশনা উপহার দেন।
একাত্তর/আরবিএস
