পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নৌবাহিনীর নতুন ঘাঁটি বানৌজা শের-ই-বাংলার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত চারটি পেট্রোল ক্রাফট ও চারটি ল্যান্ডিং ক্রাফট ইউটিলিটিরও (এলসিইউ) কমিশনিং করেন তিনি।
বুধবার দুপুরে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে কমিশন ফরমান তুলে দিয়েছেন নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল। এরপর বাহিনীর রীতি অনুযায়ী নামফলক উন্মোচন করা হয়।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নৌবাহিনীকে আধুনিক করতে নতুন সব সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে সরকার। সেই লক্ষ্যে কমিশন পাওয়া নতুন জাহাজগুলোকে মাইলফলক হিসাবে কাজ করবে।
তিনি দেশের সার্বভৌমত্ব, সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা রক্ষায় নৌবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে দেশের সুরক্ষায় ও চলমান অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালনের জন্য নৌবাহিনীর সদস্যদের কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশের দক্ষিণাঞ্চলের পায়রাবন্দরসহ উপকূলীয় এলাকার সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় কলাপাড়ার এই ঘাঁটি নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াবে। পাশাপাশি নৌ সদস্যদের যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর ‘বানৌজা শের-ই-বাংলা’ ঘাঁটির নামফলক উন্মোচিত হয়। আধুনিক সব সুবিধায় ‘বানৌজা শের-ই-বাংলা’ ঘাঁটিতে গড়ে তোলা হয়েছে নবীন নাবিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
এর পাশাপাশি অপারেশনাল কার্যক্রমের সুবিধার্থে প্রশাসনিক ভবন, এভিয়েশন সাপোর্ট ও হ্যাঙ্গার সুবিধা মাল্টিপারপাস শেড, বিভিন্ন রিপেয়ার ও মেইনটেনেন্স ওয়ার্কশপ।
এ ছাড়া ঘাঁটিতে এভিয়েশন সুবিধা, ডাইভিং স্যালভেজের কমান্ডো পরিচালনা সংবলিত ইউনিট, নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও ৫০ শয্যার হাসপাতাল রয়েছে।
একাত্তর/আরবি
