মিয়ানমার থেকে সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে আর কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ইসা ইউসুফ ইসা আলদুহাইলান।
আসাদুজ্জামান কামাল বলেন, আমরা অনেক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়েছি। মিয়ানমার সরকার এবং বিশ্বের সমস্ত দেশকে বলছি যে, যতো দ্রুত তাদেরকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা জোরদার করতে।
তিনি বলেন, মিয়ানমার সীমান্তের অস্থিরতা নিয়ে শঙ্কিত না হলেও রোহিঙ্গাদের পাঠানোর বিষয়ে আমরা কাজ করছি। আশা করি খুব দ্রুত মিয়ানমারের অবস্থা ভালো হবে এবং তারা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিবে।
বিদ্রোহীদের সঙ্গে টানা লড়াইয়ে বেশ কাহিল হয়ে পড়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের বাহিনীগুলো। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল একের পর এক হাতছাড়া হয়ে বিদ্রোহীদের দখলে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ সীমান্তের ওপারে রাখাইন রাজ্যের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির চলছে তুমুল লড়াই। তখন প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয় জান্তা সরকারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সদস্যসহ বেশ কিছু কর্মকর্তা।
আসাদুজ্জামান কামাল বলেন, ৩৩০ জন বর্ডার গার্ড পুলিশ, সামরিক বাহিনী ও সরকারি কর্মকর্তা পালিয়ে আমাদের দেশে প্রবেশ করেছিলো। আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছি। খুব সুন্দর ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।
এদিকে সংসদে না থাকায় বিএনপি বিরোধীদল হিসেবে গণ্য হতে পারে না বলেও মনে করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।
তিনি বলেন, বিএনপি জাতীয় সংসদেই নেই, সে কারণে রাজনৈতিকভাবে বিরোধীদল হিসেবে গণ্য হতে পারেন না। ২৮ অক্টোবর প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলাসহ নানা ধরনের হামলার প্রেক্ষিতে বিএনপির অনেক নেতা কর্মীকে আটক করা হয়েছিলো।
তাদের অনেককেই আদালত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মুক্তি দিয়েছেন উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এর সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই।
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ‘নতুন অধ্যায়’
বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর সুবিধা ছয় মাসেই: হাইকোর্ট