দ্বিতীয় জাতীয় বন জরিপ শুরু করছে বন বিভাগ। ব্যয় হবে ২৫ কোটি টাকা। বন পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়কমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, জরিপের টাকা যেন সঠিকভাবে ব্যয় করা হয় সেদিকে নজর দিতে হবে। বন উজার হওয়ার পরিমাণ কতো সেটির সঠিক তথ্য নেই বলেও জানান বনমন্ত্রী।
দেশের বনের পরিমাণ নিয়ে নিজস্ব কোনো গবেষণা নেই। দেশে বনের পরিমাণ বা বন উজাড় হবার তথ্য নিয়ে আছে বিভ্রান্তি।
দ্বিতীয় জাতীয় বন জরিপের উদ্বোধনীতে বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের ২৫ কোটি টাকা ঋণে দ্বিতীয় জাতীয় বন জরিপ করা হচ্ছে। এই অর্থ যেন ঠিক মতো ব্যবহার হয় সেদিকে নজর দিতে হবে। শুধু বন নীতিমালা নয় এবার বন সংরক্ষণ আইন নিয়েও কাজ করা হচ্ছে।
বন পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়কমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, এটার পেছনে যে ২৪ থেকে ২৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে- তা আমরা বিশ্বব্যাংক থেকে পাচ্ছি। এটাকে আমাদের আবার পরে ব্যাক করতে হবে। তাই এটা ব্যবহার করে আমরা যেনো সর্বোচ্চ সুবিধা পাই সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

২০১৬ থেকে ২০১৯ সালে ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রথম জাতীয় বন জরিপ করা হয়। এই জরিপের ফলাফল নিয়ে পোস্ট মর্টাম হওয়া দরকার বলে মনে করেন সাবের হোসেন চৌধুরী।
তিনি বলেন, আমাদের দেশের জন্য আমাদের এই পরিসংখ্যানগুলো কতটুকু কাজে লাগছে তার একটা সঠিক তথ্য থাকা দরকার।
বন পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সচিব বলেন, বনের সম্পদ রক্ষায় বন জরিপ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এটি যেন আন্তর্জাতিক মানের হয় সেটি নিশ্চিত করতে হবে।
বন পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, জরিপের কাজটিকে অত্যন্ত মানসম্পন্ন, গ্রহণযোগ্য ও আন্তর্জাতিক মানের করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।

প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসেন চৌধুরী জানান, এই জরিপের মাধ্যমে কোন এলাকায় কি পরমাণ বন আছে তা জানান যাবে।
পাঁচটি জোনে এক হাজার ৮৫৮টি প্লটে ভাগ করে দ্বিতীয় জাতীয় বন জরীপ পরিচালনা করা হবে।
দক্ষ বন ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা গড়ে তুলছে সরকার: পরিবেশমন্ত্রী 