জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বিগত সরকারের দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের সম্পদ জব্দে তৎপর রয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলা করার পাশাপাশি তাদের অবৈধ সম্পদ জব্দেও মাঠে নেমেছে এই সংস্থা।
গত বছরের আগস্ট থেকে চলতি বছরের ফ্রেবুয়ারি মাস পর্যন্ত ছয় মাসে মামলা করার পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীদের দেশে-বিদেশে প্রায় ১০ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
পাঁচ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এর থেকেই সামনে আসে আসতে থাকে হাসিনা সরকারের দুর্নীতিবাজ নেতা, সরকারি কর্মকর্তা ও সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীদের হাজার কোটি টাকা লুটপাটের ভয়াবহ সব চিত্র। বিদেশে হাজার কোটি টাকা পাচার করেন এস আলম, পিকে হালদার কিংবা সাইফুজ্জামানের মতো ব্যক্তিরা।
এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলার পাশাপাশি আদালতের মাধ্যমে সম্পদ জব্দ করছে দুদক। দুদকের তথ্য বলছে, আগস্ট থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গেলো ৬ মাসে আদালতের ৭৪টি আদেশে; দেশে থাকা ১০ হাজার ৩১০ কোটি টাকা ও বিদেশে থাকা ১৬৫ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করেছে দুদক।
অন্যদিকে, আদালতের আদেশে আবরুদ্ধ করা হয়েছে দেশে থাকা ১৯১.৮০ একক জমি। ২৮টি বাড়ি, ৩৮টি ফ্ল্যাট। ফ্রিজ করা হয়েছে ১ হাজার ৩০টি একাউন্ট। বিদেশে ক্রোক হয়েছে ৫৮২টি ফ্ল্যাট। সেইসাথে ৭ লাখ ১৩ হাজার ডলার ও ২৮ লাখ ৬৯ হাজার ইউরো।
বিদেশের এসব সম্পদ জব্দের বিষয়ে আদালতের আদেশ অদৌ বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা সেটি খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে করেন দুদকের সাবেক মহাপরিচালক মঈদুল ইসলাম।
এদিকে ১৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে খুলনা ছয় আসনের সাবেক এমপি আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। আর মামলা হয়েছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সাবেক কাউন্সিলর ৫৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আকাশ কুমার ভৌমিক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে।
দেশে প্রথমবার জিকা ভাইরাসের ক্লাস্টার শনাক্ত
সম্ভবত ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হবে: প্রধান উপদেষ্টা